Wednesday, December 21, 2011
'হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ' : প্রচণ্ড খরায় স্বস্তির বর্ষণ
প্রচণ্ড খরায় দেশীয় চলচ্চিত্রের অবস্থা যখন নাকাল তখনই স্বস্তির বর্ষণ হয়ে এলো অনন্তের 'হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ'। পরিচালক, কাহিনীকার ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে বাংলা ছবির কারিগর গাজী মাজহারুল আনোয়ার আবারও মুন্সিয়ানার পরিচয় দিলেন। এর প্রমাণ মুক্তির প্রথম দিন থেকে প্রতিটি প্রেক্ষাগৃহে উপচেপড়া দর্শক। এ চলচ্চিত্রের মুখ্য চরিত্রে আলমগীর তার অভিনয়ের অনবদ্যতা ধরে রাখলেন। অন্য মুখ্য চরিত্রে অভিনেত্রী দিতি যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিনয় দেখাতে পারেননি। নৃত্য, গীত ও সম্পাদনা কিভাবে নির্মাতার দৃষ্টি এড়িয়ে দুর্বলতার পরিচয় দিল তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। লোকেশন নির্বাচন ভালো। তবে দেশে-বিদেশে চিত্রায়ণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে আরও দৃষ্টিনন্দন হতো। চরিত্র অনুযায়ী নায়করাজ রাজ্জাক, অনন্ত, বর্ষা এবং কাবিলার অভিনয় উতরে গেছে। 'মাটি মাটি করে সারা জীবনটাই তো নষ্ট করে দিলে। তোমার কবরের জন্য কতটুকু মাটি দরকার'_ ছবির শেষ দৃশ্যে দিতির মুখে আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে বলা এই সংলাপটি পুরো ছবির সার্থকতা বয়ে এনেছে। পৃথিবীতে মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা এই সংলাপে প্রাণ পেয়েছে। হলভর্তি দর্শকের মুহুর্মুহু করতালি 'হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ' ছবির সার্বিক সার্থকতা তুলে ধরেছে। দেশীয় চলচ্চিত্রশিল্পের ক্রান্তিলগ্নে এম এ জলিল অনন্তের এ ধরনের সাহসী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
Tuesday, December 20, 2011
গুগলে তুষারপাত
টেলিভিশনের পর্দায় তুষারপাতের দৃশ্য দেখেছে অনেকেই। কেউবা শীতের দেশে ভ্রমণের সময় নিজ চোখেই দেখেছে তুষারপাত। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য এবার ভার্চুয়াল তুষারপাতের আয়োজন করেছে সার্চ জায়ান্ট গুগল। সত্যিকারের তুষারপাত না হলেও এখন কম্পিউটারের মনিটরেই দেখতে পারবেন তুষারপাত। আর এ জন্য গুগল সার্চে let it snow টাইপ করুন, আর অপেক্ষায় থাকুন তুষারপাতের।
টেক প্রতিদিন ডেস্ক, সূত্র : ইন্টারনে
টেক প্রতিদিন ডেস্ক, সূত্র : ইন্টারনে
ব্লগ প্রতিযোগিতা
বিজয়ের মাস ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন বিষয়ে উন্মুক্ত ব্লগ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে http://ahoban.com ব্লগ। যেকোনো ব্যক্তি স্বরচিত গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনামূলক রচনা লিখে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে লেখা পাঠাতে হবে। আর এ প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজন ব্লগার পাবেন বিভিন্ন পুরস্কার।
Monday, December 19, 2011
উড়তে জানা মাছ
পাখি ওড়ে_ এ তথ্যের মধ্যে কোনো নতুনত্ব নেই। কিন্তু যদি বলি, মাছ ওড়ে? সব পাখি যেমন ওড়ে না, তেমনি সব মাছও ওড়ে না। যে মাছটি উড়তে পারে তার নাম ফ্লাইং ফিশ বা উড়ন্ত মাছ। মোটামুটি সব সাগর-মহাসাগরে উড়ন্ত মাছের বিস্তৃতি। উড়ন্ত মাছ লম্বায় ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। উড়তে গেলে ডানার প্রয়োজন। উড়ন্ত মাছের রয়েছে লম্বা পাখনা। বুকের দুই পাশে দুটি পাখনা থাকে, যা ওদের উড়তে সাহায্য করে। তবে প্রজাতিভেদে পাখনা দুই জোড়াও হতে পারে। শুধু পাখনাই নয়, উড়ন্ত মাছের লেজও তাদের উড়তে সাহায্য করে। সাগরের তলদেশ থেকে উপরে উঠে আসার সময় এরা লেজকে সেকেন্ডে প্রায় ৭০ বার নাড়ায়। লেজের আরেকটি কাজ হলো গতিপথ পরিবর্তন। লেজ পানিতে ছুঁয়ে ছুঁয়ে এরা গতিপথ পরিবর্তন করে। এখন কথা হলো, এরা কেন ওড়ে? এদের ওড়ার কারণ হলো, শিকারির থাবা থেকে নিজেদের রক্ষা করা। তবে সবসময়ই তা নয়। এরা মূলত প্লাংকটন জাতীয় খাবার খেয়ে বেঁচে থাকে। পানির উপরে প্রায় ২০ ফুট উচ্চতায় উঠতে পারে। এতে অনেক সময় জাহাজের ডেকে এদের পাওয়া যায়। একটানা উড়তে পারে ৪০০ মিটার পর্যন্ত। আর ওড়ার গতি ঘণ্টায় ৬০-৭০ কিলোমিটার। ফ্লাইং ফিশের রয়েছে আলোর প্রতি ভীষণ টান। আলোর আকর্ষণে এরা ছুটে যায়। ফ্লাইং ফিশ খেতে সুস্বাদু। বার্বাডোজে এদের কদর সবচেয়ে বেশি। বার্বাডোজের জাতীয় খাদ্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো উড়ন্ত মাছ। তাই সে দেশের সরকার উড়ন্ত মাছকে তাদের জাতীয় মাছ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। শুধু খাদ্য হিসেবেই নয়, উড়ন্ত মাছ বার্বাডোজের সংস্কৃতির মধ্যেও ঢুকে গেছে। বার্বাডোজের মুদ্রা, কলম, চিত্রশিল্পসহ পাসপোর্টেও রয়েছে উড়ন্ত মাছের ছবি। বার্বাডোজের পর্যটন সংস্থার লোগোতেও আছে এ মাছের ছাপ। তাই বার্বাডোজ 'উড়ন্ত মাছের দেশ' বলে খ্যাত। * শাহেদুজ্জামান লিংকন
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পতঙ্গ
কীট-পতঙ্গ সম্পর্কে আমাদের কম-বেশি সবারই ধারণা আছে? ক্ষুদ্রাকৃতি এই জীবের গঠন, বংশবিস্তার, জীবন-ধারণ খুবই সাধারণ ধাঁচের। কিন্তু এখন যদি প্রশ্ন করা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় পতঙ্গ সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে কারও? তবে বেশির ভাগই উত্তর আসবে জানি না? সম্প্রতি গবেষণায় ওজনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের পতঙ্গের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। আর সন্ধান পাওয়ার পর পতঙ্গ সম্পর্কে তাদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। নিউজিল্যান্ডের লিটল ব্যারিয়ার আইল্যান্ডে খুঁজে পাওয়া এ পতঙ্গটির নাম ওয়েটা। তবে অজানা এই পতঙ্গ কিন্তু খোঁজের মাধ্যমে বের হয়েছে। আর যিনি এই ওয়েটার খোঁজ প্রথম পেয়েছেন তিনি হলেন মার্ক মফেট নামের একজন মার্কিন প্রকৃতিবিদ। মজার ব্যাপার হলো_ বিশালাকার এ পতঙ্গটি দেখতে একেবারে 'ঝিঁঝিঁ' পোকার মতো। আর বড়সড় বিশালাকার এই পতঙ্গটির ওজন ৭১ গ্রাম, যা ওজনের হিসাবে খোঁজ পাওয়া পতঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং বড় পতঙ্গ। গঠনের দিক থেকে পতঙ্গটির পাখার বিস্তার ৭ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। লিটল ব্যারিয়ার আইল্যান্ডে ওয়েটার ৭০টিরও বেশি প্রজাতি দেখতে পাওয়া গেছে। খোঁজ পাওয়া এ পতঙ্গটি স্ত্রী প্রজাতির। এ পতঙ্গটির প্রিয় খাবার গাজর। * নাজমুল হক ইমন
ভাইরাস কাহিনী
এক কথায় ভাইরাস হলো অতি সূক্ষ্মদেহী জীব, যার কাজ শুধু রোগ ছড়ানো। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের সাহায্য ছাড়া ভাইরাস খালি চোখে দেখা যায় না। ভাইরাস জীবিত ও মৃত উভয় দেহেই বসবাস করতে পারে। মজার ব্যাপার হলো, ভাইরাস জীবিত কোষ অবলম্বন ছাড়া বংশবিস্তার করতে পারে না। এ কারণে ভাইরাসকে বোতলে পুরা যায়। ১৮৮৮ সালে মেয়ার ভাইরাস আবিষ্কার করেন। ভাইরাস সাধারণত নানা আকার ও ধরনের হয়ে থাকে। লম্বা, গোল ও চ্যাপ্টা ভাইরাসও আছে। ভাইরাসের আকার এক ইঞ্চির আড়াই কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র। যা এক মিলিমিটারের দশ লাখ ভাগের এক ভাগ। বসন্ত, পোলিও, হাম, ন্যাবা, ট্যাকোমা ভাইরাস জাতীয় রোগ। গাছপালা, জীবজন্তু সবার মধ্যেই ভাইরাস রোগ ছড়িয়ে পড়ে। কেবল মানুষ নয়, ভাইরাস পোকামাকড়, ফুল, লতা-পাতার মধ্যেও ছড়ায়।
Facebook ওবামার মেয়েদের ফেইসবুক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার চালাতে সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটের দারস্থ হয়েছিলেন। তহবিল গঠন এবং তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তিনি এসব মাধ্যম ব্যবহার করেন। এসব সাইটের মধ্যে বিশেষ করে ফেইসবুকের নাম উল্লেখযোগ্য। অথচ সেই ওবামাই এবার তাঁর মেয়েদের ফেইসবুক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। কারণ, তিনি চান না, বাইরের লোকজন তাঁর ঘরের খবর জানুক।
ওবামার বড় মেয়ে মালিয়ার বয়স ১৩, ছোট মেয়ে সাশার বয়স ১০। ফেইসবুক ব্যবহার করার মতো যথেষ্ট বয়স হয়েছে মালিয়ার। তবে ওবামার সাফ কথা, বাইরের লোকজন ফেইসবুকের মাধ্যমে তাঁর পারিবারিক জীবন সম্পর্কে জানুক, এটা তিনি চান না। মালিয়া ও সাশাকে ফেইসবুক ব্যবহার করতে হলে আরো চার বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন ওবামা। এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, 'আমরা যাদের চিনি না, তাদের কেন আমার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেব? এর কোনো মানে হয় না। আগামী চার বছরে তারা (মালিয়া ও সাশা) এ বিষয়টি কিভাবে নিচ্ছে, তা আমি দেখব।'
চলতি সপ্তাহের প্রথমদিকে ফেইসবুকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি পারিবারিক ছবি প্রকাশ করা হয়। ক্যাপশন ছিল_'ওবামার পরিবারের নতুন ছবি'। এতে ওবামা, ফার্স্ট লেডি মিশেল এবং তাঁর দুই মেয়েকে হাসতে দেখা গেছে। ওই ছবি প্রকাশ নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিলেন ওবামা। ছবিটিতে ১১ হাজার 'কমেন্ট' পড়ে এবং ৭১ হাজার লোক ছবিটি 'লাইক' করে।
২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় ফেইসবুকে ওবামার নামে একটি পেইজ খোলা হয়। সেখানে ওবামা সম্পর্কে অনেক ধরনের তথ্য এবং তাঁর বেশ কিছু ছবি ছিল। ওই পেইজটি দুই কোটি ৪০ লাখ লোক 'লাইক' করেছিল। সূত্র : মেইল অনলাইন।
ওবামার বড় মেয়ে মালিয়ার বয়স ১৩, ছোট মেয়ে সাশার বয়স ১০। ফেইসবুক ব্যবহার করার মতো যথেষ্ট বয়স হয়েছে মালিয়ার। তবে ওবামার সাফ কথা, বাইরের লোকজন ফেইসবুকের মাধ্যমে তাঁর পারিবারিক জীবন সম্পর্কে জানুক, এটা তিনি চান না। মালিয়া ও সাশাকে ফেইসবুক ব্যবহার করতে হলে আরো চার বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন ওবামা। এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, 'আমরা যাদের চিনি না, তাদের কেন আমার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেব? এর কোনো মানে হয় না। আগামী চার বছরে তারা (মালিয়া ও সাশা) এ বিষয়টি কিভাবে নিচ্ছে, তা আমি দেখব।'
চলতি সপ্তাহের প্রথমদিকে ফেইসবুকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি পারিবারিক ছবি প্রকাশ করা হয়। ক্যাপশন ছিল_'ওবামার পরিবারের নতুন ছবি'। এতে ওবামা, ফার্স্ট লেডি মিশেল এবং তাঁর দুই মেয়েকে হাসতে দেখা গেছে। ওই ছবি প্রকাশ নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিলেন ওবামা। ছবিটিতে ১১ হাজার 'কমেন্ট' পড়ে এবং ৭১ হাজার লোক ছবিটি 'লাইক' করে।
২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় ফেইসবুকে ওবামার নামে একটি পেইজ খোলা হয়। সেখানে ওবামা সম্পর্কে অনেক ধরনের তথ্য এবং তাঁর বেশ কিছু ছবি ছিল। ওই পেইজটি দুই কোটি ৪০ লাখ লোক 'লাইক' করেছিল। সূত্র : মেইল অনলাইন।
Sunday, December 18, 2011
শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে নকিয়ার উদ্যোগ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাদানের দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছে নকিয়া। তিন বছরে দেশের ৬০০ প্রাথমিক শিক্ষকের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
গতকাল রাজধানীর রূপসীবাংলা হোটেলে এ ঘোষণা দেন নকিয়া বাংলাদেশ প্রধান আবু দাউদ খান। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নহিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেব আন্তর্জাতিক রিডিং অ্যাসোসিয়েশনের [আইআরএ] পরিচালক শাকিল মালেক উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইআরএ এবং বাংলাদেশ রিডিং অ্যাসোসিয়েশনের [বিআরএ] সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে নকিয়া। অনুষ্ঠানে নকিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকিয়ার এমন উদ্যোগের ফলে দেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা আরও সহজ হয়ে উঠবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাষা প্রশিক্ষণ এবং সেলফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে পেশাগত নেটওয়ার্ক দৃঢ় হবে। নকিয়া এডুকেশন ডেলিভারি সফটওয়্যারটি ২০০৩ সালে চালু করে। এটি চিলি, কলাম্বিয়া, ভারত, তানজানিয়া, নাইজেরিয়া ফিলিপাইনে শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। সফটওয়্যারটি বাংলাদেশ ছাড়াও কেনিয়া, মিসর, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রাজধানীর রূপসীবাংলা হোটেলে এ ঘোষণা দেন নকিয়া বাংলাদেশ প্রধান আবু দাউদ খান। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নহিদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেব আন্তর্জাতিক রিডিং অ্যাসোসিয়েশনের [আইআরএ] পরিচালক শাকিল মালেক উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইআরএ এবং বাংলাদেশ রিডিং অ্যাসোসিয়েশনের [বিআরএ] সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে নকিয়া। অনুষ্ঠানে নকিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকিয়ার এমন উদ্যোগের ফলে দেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা আরও সহজ হয়ে উঠবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাষা প্রশিক্ষণ এবং সেলফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে পেশাগত নেটওয়ার্ক দৃঢ় হবে। নকিয়া এডুকেশন ডেলিভারি সফটওয়্যারটি ২০০৩ সালে চালু করে। এটি চিলি, কলাম্বিয়া, ভারত, তানজানিয়া, নাইজেরিয়া ফিলিপাইনে শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। সফটওয়্যারটি বাংলাদেশ ছাড়াও কেনিয়া, মিসর, ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কাল থেকে মাল্টিপ্ল্যানে আইসিটি মেলা
আগামীকাল থেকে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান কম্পিউটার সিটিতে শুরু হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তিমেলা 'ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার ২০১১'। 'গো গ্রিন উইথ আইসিটি' স্লোগানে ৮ দিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদ। গতকাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাল্টিপল্গ্যান সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও মেলার আহ্বায়ক তৌফিক এহ্সোন এ কথা জানান। এ সময় সিটিসেলের করপোরেট ও গণযোগাযোগ প্রধান তসলিম আহমেদ এবং সমিতির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজক সূত্র জানায়, ৪৫০টি দোকান মেলায় বিশ্বসেরা ব্রান্ডের প্রযুক্তিপণ্য প্রদর্শন করবে। মেলা উপলক্ষে প্রতিটি প্রযুক্তি পণ্যে থাকছে বিশেষ ছাড় ও উপহার। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন সেমিনার, রক্তদান কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যাশন শো ছাড়াও বিতর্ক, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
ইনটেলের টার্গেট এবার স্মার্টফোন
বিশ্বের কম্পিউটার বাজারের ৮০ শতাংশই ইনটেলের চিপের দখলে থাকলেও স্মার্টফোন চিপের বাজারে অনেকটাই কোণঠাসা ইনটেল। আর তাই এবার স্মার্টফোন বাজার ধরতে নিজেদের চারটি চিপ নির্মাণ বিভাগকে একীভূত করে
'মোবাইল অ্যান্ড কমিউনিকেশন' ইউনিট নামে নতুন বিভাগ চালু করেছে ইনটেল।
এ প্রসঙ্গে ইনটেলের মুখপাত্র রবার্ট ম্যানেটা বলেন, 'আমরা স্মার্টফোন চিপ নির্মাণের এ বিভাগটিকে আরো কার্যকরী ভূমিকায় দেখতে চাই। এ কারণে নতুন এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।' ইনটেলের নতুন এ বিভাগের নেতৃত্ব পাচ্ছেন স্মার্টফোন বাজারের পরিচিত মুখ মাইক বেল। তিনি গত বছর ইনটেলে যোগ দিলেও এর আগে আইফোন উন্নয়নের জন্য অ্যাপলে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
'মোবাইল অ্যান্ড কমিউনিকেশন' ইউনিট নামে নতুন বিভাগ চালু করেছে ইনটেল।
এ প্রসঙ্গে ইনটেলের মুখপাত্র রবার্ট ম্যানেটা বলেন, 'আমরা স্মার্টফোন চিপ নির্মাণের এ বিভাগটিকে আরো কার্যকরী ভূমিকায় দেখতে চাই। এ কারণে নতুন এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।' ইনটেলের নতুন এ বিভাগের নেতৃত্ব পাচ্ছেন স্মার্টফোন বাজারের পরিচিত মুখ মাইক বেল। তিনি গত বছর ইনটেলে যোগ দিলেও এর আগে আইফোন উন্নয়নের জন্য অ্যাপলে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
নিজেই হালনাগাদ হবে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার
মাইক্রোসফটের ব্রাউজার 'ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার'-এর বিভিন্ন সংস্করণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হওয়ার ব্যবস্থা করছে মাইক্রোসফট। ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই নতুন আপডেটগুলো ব্রাউজারে যুক্ত হয়ে যাবে। জানুয়ারি থেকে এ সুবিধা চালু হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা দিতে নিয়মিত এক্সপ্লোরারের বিভিন্ন আপডেট দেওয়া হয়। তবে এগুলো অনেক সময় ব্যবহারকারীর অগোচরে থেকে যায়। আপডেটগুলো ইনস্টল না করায় ব্রাউজারের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে স্ক্যামাররা ব্রাউজারে প্রায়ই ভুয়া আপডেট ছাড়ে। এসব আপডেট ইনস্টল করে ব্যবহারকারীরা ঝামেলায় পড়েন। এসব ঝামেলা এড়াতে স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিল মাইক্রোসফট।
এ প্রসঙ্গে মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বিভাগের প্রধান রাইয়ান গেভিন বলেন, 'ইন্টারনেটের দুনিয়ায় নিশ্চিন্তে নিরাপদে থাকতে আপনাকে অবশ্যই হালনাগাদ ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে। আমরা সাইবার আক্রমণ-সংক্রান্ত যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছি তাতে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সময় পুরনো ব্রাউজারগুলোয় আক্রমণ চালানো হয়। ব্রাউজারের বিভিন্ন দুর্বলতার কারণেই ব্যবহারকারী এ ধরনের আক্রমণের শিকার হন।'
নতুন আপডেট সুবিধাগুলো পেতে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের পরবর্তী আপডেটটি প্রচলিত নিয়মে ইনস্টল করে নিতে হবে। এর পর থেকে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হতে থাকবে।
আল-আমিন কবির, সূত্র : ইন্টারনেট
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা দিতে নিয়মিত এক্সপ্লোরারের বিভিন্ন আপডেট দেওয়া হয়। তবে এগুলো অনেক সময় ব্যবহারকারীর অগোচরে থেকে যায়। আপডেটগুলো ইনস্টল না করায় ব্রাউজারের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে স্ক্যামাররা ব্রাউজারে প্রায়ই ভুয়া আপডেট ছাড়ে। এসব আপডেট ইনস্টল করে ব্যবহারকারীরা ঝামেলায় পড়েন। এসব ঝামেলা এড়াতে স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিল মাইক্রোসফট।
এ প্রসঙ্গে মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বিভাগের প্রধান রাইয়ান গেভিন বলেন, 'ইন্টারনেটের দুনিয়ায় নিশ্চিন্তে নিরাপদে থাকতে আপনাকে অবশ্যই হালনাগাদ ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে। আমরা সাইবার আক্রমণ-সংক্রান্ত যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছি তাতে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সময় পুরনো ব্রাউজারগুলোয় আক্রমণ চালানো হয়। ব্রাউজারের বিভিন্ন দুর্বলতার কারণেই ব্যবহারকারী এ ধরনের আক্রমণের শিকার হন।'
নতুন আপডেট সুবিধাগুলো পেতে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের পরবর্তী আপডেটটি প্রচলিত নিয়মে ইনস্টল করে নিতে হবে। এর পর থেকে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হতে থাকবে।
আল-আমিন কবির, সূত্র : ইন্টারনেট
Thursday, December 15, 2011
কম্পিউটারে চলবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস
অ্যাপ্লিকেশন ভুবনে জনপ্রিয়তায় সেরা গুগলের অ্যান্ড্রয়েড। প্রতিনিয়তই অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত হচ্ছে গেমস ও অ্যাপস। অ্যান্ড্রয়েড সমর্থন না থাকলেও সহজেই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসগুলো ডেস্কটপ পিসিতে চালানো সম্ভব। এজন্য দারুণ কার্যকর
BlueStacks App Player সফটওয়্যার। এর সাহায্যে সমর্থনযোগ্যতা ছাড়াই যে কোনো পিসি কিংবা ল্যাপটপে অ্যান্ড্রয়েড উপভোগ করা সম্ভব। এজন্য প্রথমে
ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটলের পর ওপেন করতে হবে। সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড চালিত অ্যাপসগুলো apk ফরম্যাটে থাকে। তাই সহজে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস পেতে চাইলে গুগলে.apk লেখে সার্চ দিতে হবে। কাঙ্ক্ষিত অ্যাপস ডাউনলোডের পর এর ওপর রাইট ক্লিক করে Open with>Choose default program>browse এ গিয়ে প ড্রাইভ অথবা যে ড্রাইভে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করা হয়েছে সেখান থেকে BlueStacks App Player এ ক্লিক করতে হবে। ইন্সটল শেষে ডেস্কটপ বা স্টার্ট মেন্যু থেকে ব্লুস্টকস সফটওয়্যারটি চালু করতে হবে। প্রদর্শিত নতুন আইকনে ক্লিক করে অ্যাপসটি ডেস্কটপ পিসিতে উপভোগ করা যাবে।
BlueStacks App Player সফটওয়্যার। এর সাহায্যে সমর্থনযোগ্যতা ছাড়াই যে কোনো পিসি কিংবা ল্যাপটপে অ্যান্ড্রয়েড উপভোগ করা সম্ভব। এজন্য প্রথমে
ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটলের পর ওপেন করতে হবে। সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড চালিত অ্যাপসগুলো apk ফরম্যাটে থাকে। তাই সহজে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস পেতে চাইলে গুগলে.apk লেখে সার্চ দিতে হবে। কাঙ্ক্ষিত অ্যাপস ডাউনলোডের পর এর ওপর রাইট ক্লিক করে Open with>Choose default program>browse এ গিয়ে প ড্রাইভ অথবা যে ড্রাইভে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করা হয়েছে সেখান থেকে BlueStacks App Player এ ক্লিক করতে হবে। ইন্সটল শেষে ডেস্কটপ বা স্টার্ট মেন্যু থেকে ব্লুস্টকস সফটওয়্যারটি চালু করতে হবে। প্রদর্শিত নতুন আইকনে ক্লিক করে অ্যাপসটি ডেস্কটপ পিসিতে উপভোগ করা যাবে।
ফ্রিল্যান্সার অ্যাওয়ার্ডের জন্য নিবন্ধন শুরু
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস [বেসিস] ফ্রিল্যান্সারদের জন্য পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কাজে অর্থ উপজর্নকারীরা ফ্রিল্যান্সার অ্যাওয়ার্ডের জন্য বিবেচিত হবেন। এ লক্ষ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে বেসিস। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সেরা দশ ফ্রিল্যান্সারকে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। আগামী ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বেসিস সফটওএক্সপো ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করা যাবে।
ওয়েব ঠিকানা
ওয়েব ঠিকানা
Sunday, December 11, 2011
রক্ত কি শুধুই লাল
আমরা জানি, মানুষ বা অনেক পশুপাখিরই রক্ত টকটকে লাল। কিন্তু প্রত্যেক প্রাণীর শরীরে যে রক্তকণিকা প্রতি মুহূর্তে প্রবাহিত হয়, তা আসলেই কি লাল? আমরা যদি প্রাণীদেহের রক্তকণিকাগুলো মাইক্রোসকোপের সাহায্যে দেখি তাহলে দেখা যাবে, রক্তের কণাগুলোর রয়েছে মোটামুটি চারটি ভাগ। এগুলো হলো_ হলুদাভ তরল পদার্থ, লাল রক্তের টিস্যু, সাদা রক্তের টিস্যু এবং প্লেটলেটস। প্লাজমা বা হলুদাভ তরল পদার্থের সঙ্গে মিশ্রিত থাকে সাদা তরল পদার্থও। লাল রক্তের টিস্যু, সাদা রক্তের টিস্যু এবং প্লেটলেটের সঙ্গে মেশানো থাকে প্রোটিন, খনিজ লবণ, হজম হওয়া খাবার এবং বর্জ্য। যা-ই হোক, রক্তকণিকায় যে কোনো উপাদানের চেয়ে বেশি থাকে লাল রক্তকণিকা। আর হিমোগ্লোবিন থাকার কারণেই রক্তকণিকা সবসময় লাল দেখায়। যে কোনো প্রাণীদেহে লাল রক্তকণিকার টিস্যু আছে ১৮ বিলিয়ন! রকমারি ডেস্ক
ঝাল আইসক্রিম! ICE-CREAM
আইসক্রিমের স্বাদ ঝাল এটা অসম্ভব; মানা যায় না। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আইসক্রিম বিক্রেতা অনেক দিন ধরেই ভাবছিলেন, মিষ্টি স্বাদের আইসক্রিমের বদলে ঝাল জাতীয় আইসক্রিম নিয়ে কিছু করতে। কিন্তু পারছিলেন না। সম্প্রতি সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে ঝাল আইসক্রিম তৈরি করতে এবং সর্বোপরি জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার আইসক্রিম বিক্রেতা মি. উইলসন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মরিচপ্রিয় ক্রেতাদের কাছ থেকে আইসক্রিমে ঝাল কিছু পাওয়ার জন্য অনুরোধ আসার পর এরকম ভিন্ন স্বাদের আইসক্রিম তৈরিতে তিনি উৎসাহী হয়েছেন। উইলসন তখন থেকেই আইসক্রিমের মধ্যে মরিচসহ বিভিন্ন ঝাল উপাদানের সমন্বয় করে এক ধরনের ব্যতিক্রমী আইসক্রিম বানানোর চেষ্টা করে আসছিলেন। অবশেষে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সফল হয়েছে তার প্রচেষ্টা। এই নতুন আবিষ্কৃত ঝাল আইসক্রিমের নাম দেওয়া হয়েছে 'কোল্ড সুইট'। এটি তৈরি হয়েছে তিন ধরনের মরিচ এবং দুই রকম ঝাল সস দিয়ে। কোল্ড সুইট নামের এই আইসক্রিম স্বাদে অনেক বেশি ঝাল। এই ঝাল আইসক্রিম খেয়ে একজন ক্রেতা স্বাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এভাবে_ আইসক্রিমটিতে রয়েছে বিচিত্র স্বাদ। কিন্তু মুখে দেওয়ার পর মনে হয় যেন জিভে আগুন লেগে গেছে। ঝালের ব্যাপারে ক্রেতাদের কাছ থেকে অভিযোগ আসতে পারে, এ কথা মনে রেখে উইলসন ক্রেতাদের কাছ থেকে আইসক্রিম বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চয়তাপত্রে স্বাক্ষরও নিয়ে নিচ্ছেন। রকমারি ডেস্ক
রহস্যময় টেবল মাউন্টেন
এই পৃথিবীর নানা জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অনেক অজানা-অচেনা রহস্য ও সুন্দর সুন্দর স্থান, পাহার পর্বত, নদী-নালা, খাল বিল ইত্যাদি। দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত টেবল মাউন্টেন তেমনি একটি রহস্যময় পর্বত। অতি চমৎমকার ও মনোরম দেখতে এই পর্বতটি কয়েকটি পর্বতের সমন্বয়ে গঠিত। টেবল মাউন্টেন নিয়ে বছরের পর বছর ধরে যে রহস্যময়তার বিবরণ চলে আসছে তা হলো-টেবল মাউন্টেন যে কয়েকটি পর্বত নিয়ে গঠিত তার প্রত্যেকটি থেকে আগুনের ফুলকির মতো বের হয়। তবে কোনো পর্যটক যদি অক্লান্ত পরিশ্রম করে টেবল মাউন্টেনে তা দেখতে যায় তাহলে কাছে গিয়ে সে আর তা দেখতে পায় না। টেবল মাউন্টেনের আগুনের ফুলকি মানুষের পায়ের আওয়াজ পেলেই বন্ধ হয়ে যায় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে টেবল মাউন্টেনের উচ্চতা ১০৮৬ মিটার বা ৩৫৬৩ ফুট। টেবল মাউন্টেনের দুটি চূড়া রয়েছে একটি পূর্বের ডেভিল পার্ক ও আরেকটি দক্ষিণের লায়ন'স হেড। চূড়া দুটি প্রায় সময় মেঘে ঢাকা থাকে । পর্বতটি মেঘের কোল ঘেঁষে থাকে বিধায়, স্থানীয়রা মেঘ কে বলে -পাহাড়ের জামা। পর্বতটির গায়ে রয়েছে নানা প্রজাতির ফ্লোরা। পর্বতে আরোহনকারী অভিযাত্রীদের তথ্যানুসারে এই ফ্লোরার সংখ্যা প্রায় ১৪৭০ । টেবল মাউন্টেন মেঘদ্বারা আচ্ছাদিত থাকলেও মাঝেমধ্যে সূর্যের আলো ঠিকরে পড়ে পর্বতের গায়ে, যা পর্বতটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় আরও বহুগুণে। এই পর্বতটিকেই দক্ষিণ আফ্রিকার প্রবেশদ্বার বলা হয়। সমপ্রতি সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক সংস্থা নিউ সেভেন ওয়ান্র্ডাস ফাউন্ডেশন টেবল মাউন্টেনটকে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবে ঘোষণা করেছে । রিয়াজুল ইসলাম
Saturday, December 10, 2011
ঝরে পড়া উপগ্রহ
সম্প্রতি নাসার গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন ৬ টনী এক উপগ্রহ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর গবেষণা চালাতে এ উপগ্রহটি পাঠিয়েছিল নাসা। উপগ্রহটি টুকরো টুকরো হয়ে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আঘাত হানবে পৃথিবীতে। গবেষকরা জানিয়েছেন, উপগ্রহটি যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা এবং এশিয়ার যেকোনো অঞ্চলেই পড়তে পারে। তবে, এটি আলাস্কা অথবা চিলিতে পড়ার আশঙ্কাই বেশি। অ্যাটমোসফিয়ার রিসার্চ স্যাটেলাইট (ইউএআরএস) নামের এ স্যাটেলাইটটি ১৯৯১ সালে পাঠানো হয়েছিল। মূল স্যাটেলাইটটির ওজন ৬.৫ টন। ২০০৫ সালে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। এর মাধ্যমেই পৃথিবীর মানুষ ওজোন স্তরে ফুটো হওয়ার কথা জেনেছিল। গবেষকরা অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন, এটি পড়লেও মানুষের ক্ষতির আশঙ্কা খুবই কম; তবে যেখানে পড়বে সেখানকার ৫০০ মাইল পর্যন্ত ক্ষত তৈরি হতে পারে। এটি পড়ার সময় বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষে বেশিরভাগই পুড়ে ছাই হয়ে যাবে, তবে ধাতব কিছু অংশ পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে। অবশ্য নাসার গবেষকরা বলছেন, পৃথিবীতে এর আঘাত হানার আশঙ্কা ৩২০০ ভাগের ১ ভাগ। এদিকে নাসার গবেষক জিন স্ট্যান্সবেরি বলেছেন, ‘মহাকাশ যাত্রার যুগ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো উপগ্রহের আঘাতে মানুষের ক্ষতি হয়েছে এমন খবর শোনা যায়নি। তাই আতঙ্কিত হবার কিছু নেই।’ ৩৫ ফুট লম্বা, ১৫ ফুট ব্যাসার্ধ এবং ১৩শ পাউন্ড ওজনের উপগ্রহটির জ্বালানি ২০০৫ সালে শেষ হয়ে গেছে । তবে এখনো এর ১০টি যন্ত্রাংশ ঠিকঠাকমতো কাজ করছে। ৩টি মহাসাগর এবং ৬টি মহাদেশের যে কোনো স্থানে এ উপগ্রহ ভেঙে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা করছেন নাসার গবেষকরা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কোথায় এবং কবে পড়বে সেটি এখনো নিশ্চিত না হলেও এটি যে পৃথিবীতে আছড়ে পড়বেই সেটি নিশ্চিত হয়েছেন গবেষকরা।
বিশ্বের সবচেয়ে গোপনীয় এবং রহস্যময় পাঁচটি স্থান
মানুষ বরাবরই কৌতূহলী। পৃথিবী সে চষে বেড়াতে চায়, জানতে চায় সব অজানাকে। কিন্তু চাইলেই কি পৃথিবীর সব গোপনীয়তা ভেদ করা সম্ভব? উত্তরটা অবশ্যই না। পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেগুলোতে চাইলেও কখনোই যাওয়া যায় না, জানা যায় না কী হচ্ছে সেখানে, আর কেনইবা এতসব গোপনীয়তা? আজকে এমনি কিছু রহস্যময় জায়গার কথা বলব যেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সবসময় অধরাই থেকে গেছে। সাধারণ মানুষ পরতের পর পরত রহস্যের গল্প বুনে গেছে এগুলো নিয়ে, কিন্তু কূলকিনারা করা হয়নি কোনো রহস্যের।
এরিয়া ৫১
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় অবস্থিত এই জায়গাটি নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ এখনও একটা ঘোরের মধ্যে আছে। এটি একটি মিলিটারি বেইজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সিকিউরড এলাকাগুলোর একটি। এর এরিয়ার বাইরেও একটা বিশাল এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কী করা হয় ওখানে? পৃথিবীর একটা বিশাল অংশ মানুষের ধারণা, ওখানে এলিয়েন নিয়ে গবেষণা করা হয়। অনেক মানুষ এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা গেছে বলেও বিশ্বাস করে।
২. আইস গ্রান্ড শ্রিন : জাপান
জাপানের সবচেয়ে গোপনীয়, পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান। খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে এটি নির্মাণ করা হয় বলে ধারণা করা হয়। জাপানের রাজকীয় পরিবার আর প্রিস্ট ছাড়া এতটা কাল এখানে আজ পর্যন্ত কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। এই শ্রিনটি প্রতি ২০ বছর পর ভেঙে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়। কেন এত গোপনীয়তা? ইতিহাসবিদদের মতে, এককালের জাপানিজ সাম্রাজ্যের অনেক পুরনো মূল্যবান নথিপত্র ওখানে লুকায়িত আছে, যেগুলো বিশ্বের সামনে আগে কখনোই আসেনি।
৩. ভ্যাটিকান সিটি
যুগ যুগ ধরেই ভ্যাটিকান সিটি মানুষের রহস্যের খোরাক। সেই যিশুর আমলের আগে থেকেই পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী এই ভ্যাটিকান। এই জায়গাটিকে storehouse of secret o বলা হয়। খুব সংখ্যক স্কলারই এই জায়গায় ঢুকতে পারেন, তাও পোপের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে। এখানে প্রায় ৮৪০০০ বই আছে আর এই জায়গাটি প্রায় ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। ধারণা করা হয় খ্রিস্টান, মেসনারি, প্যাগানসহ আরও অনেক ধর্ম আর মতবাদের অনেক গোপন ডকুমেন্ট এখানে সংরক্ষিত আছে।
৪। ক্লাব ৩৩ ডিজনিল্যান্ড
সারা বিশ্বের মানুষের জন্য ডিজনিল্যান্ড একটি বিনোদনের জায়গা। পুরো জায়গাটিই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত শুধু ক্লাব ৩৩ ছাড়া। খুব রেস্ট্রিকটেড করে রাখা হয়েছে ওই জায়গাটি। স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি এই ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা। খুব আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, আপনি যদি আজকে আবেদন করেন, এই ক্লাবটির সদস্য হতেই আপনার প্রায় ১৪ বছর সময় লাগবে।
৫। মস্কো মেট্রো টু
এটি রাশিয়ায় অবস্থিত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রউন্ড সিটি এটি। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে কখনোই এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়া হয়নি। স্তালিনের আমলে এটি তৈরি করা হয়েছিল। একটা বিশাল অংশের মানুষ মনে করে, এটি ক্রেমলিনের সঙ্গে ভংন যবধফয়ঁধত্ঃবত্-এর সংযোগ স্থাপন করেছে। পুরো একটি শহর এটি, অথচ মানুষ এই জায়গায় যাওয়া তো দূরে থাক, এখনও এটি সম্পর্কে ভালো করে কিছু জানেই না।
এরিয়া ৫১
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় অবস্থিত এই জায়গাটি নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ এখনও একটা ঘোরের মধ্যে আছে। এটি একটি মিলিটারি বেইজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সিকিউরড এলাকাগুলোর একটি। এর এরিয়ার বাইরেও একটা বিশাল এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কী করা হয় ওখানে? পৃথিবীর একটা বিশাল অংশ মানুষের ধারণা, ওখানে এলিয়েন নিয়ে গবেষণা করা হয়। অনেক মানুষ এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা গেছে বলেও বিশ্বাস করে।
২. আইস গ্রান্ড শ্রিন : জাপান
জাপানের সবচেয়ে গোপনীয়, পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান। খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে এটি নির্মাণ করা হয় বলে ধারণা করা হয়। জাপানের রাজকীয় পরিবার আর প্রিস্ট ছাড়া এতটা কাল এখানে আজ পর্যন্ত কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। এই শ্রিনটি প্রতি ২০ বছর পর ভেঙে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়। কেন এত গোপনীয়তা? ইতিহাসবিদদের মতে, এককালের জাপানিজ সাম্রাজ্যের অনেক পুরনো মূল্যবান নথিপত্র ওখানে লুকায়িত আছে, যেগুলো বিশ্বের সামনে আগে কখনোই আসেনি।
৩. ভ্যাটিকান সিটি
যুগ যুগ ধরেই ভ্যাটিকান সিটি মানুষের রহস্যের খোরাক। সেই যিশুর আমলের আগে থেকেই পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী এই ভ্যাটিকান। এই জায়গাটিকে storehouse of secret o বলা হয়। খুব সংখ্যক স্কলারই এই জায়গায় ঢুকতে পারেন, তাও পোপের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে। এখানে প্রায় ৮৪০০০ বই আছে আর এই জায়গাটি প্রায় ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। ধারণা করা হয় খ্রিস্টান, মেসনারি, প্যাগানসহ আরও অনেক ধর্ম আর মতবাদের অনেক গোপন ডকুমেন্ট এখানে সংরক্ষিত আছে।
৪। ক্লাব ৩৩ ডিজনিল্যান্ড
সারা বিশ্বের মানুষের জন্য ডিজনিল্যান্ড একটি বিনোদনের জায়গা। পুরো জায়গাটিই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত শুধু ক্লাব ৩৩ ছাড়া। খুব রেস্ট্রিকটেড করে রাখা হয়েছে ওই জায়গাটি। স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি এই ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা। খুব আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, আপনি যদি আজকে আবেদন করেন, এই ক্লাবটির সদস্য হতেই আপনার প্রায় ১৪ বছর সময় লাগবে।
৫। মস্কো মেট্রো টু
এটি রাশিয়ায় অবস্থিত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রউন্ড সিটি এটি। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে কখনোই এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়া হয়নি। স্তালিনের আমলে এটি তৈরি করা হয়েছিল। একটা বিশাল অংশের মানুষ মনে করে, এটি ক্রেমলিনের সঙ্গে ভংন যবধফয়ঁধত্ঃবত্-এর সংযোগ স্থাপন করেছে। পুরো একটি শহর এটি, অথচ মানুষ এই জায়গায় যাওয়া তো দূরে থাক, এখনও এটি সম্পর্কে ভালো করে কিছু জানেই না।
সার্চ ইঞ্জিন
প্রতিটি মানুষ নতুন কিছু করতে চায়। আর নতুনের সন্ধানে যত সব প্রচেষ্টা। সেই প্রচেষ্টাস্বরূপ ফ্রেঞ্চ প্রযুক্তিবিদ ফ্রাঙ্কি জাপাতা জলজ প্রাণী ডলফিন স্টাইলে সাঁতার কেটে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন। তিনি ফ্লাইবোর্ডে ওয়াটার জেট সংযোগ করে ডলফিনের আদলে সাঁতার কেটে এই অসম্ভবকে সম্ভবে পরিণত করলেন। প্রযুক্তিপাগল জাপাতা ওয়াটার জেটের মাধ্যমে পানি থেকে ৩০ ফুট উপরে লাফিয়ে উঠে আবার পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। শূন্যে থেকেই তিনি দক্ষ ক্রীড়াবিদের মতো নানা অঙ্গভঙ্গিও করছেন। ইতোমধ্যে জাপাতার অত্যাধুনিক ফ্লাইবোর্ডের বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। এটার দাম চার হাজার দুইশ পাউন্ড। তবে শৌখিন ফ্লাইবোর্ডারদের কাছে দাম বড় বিষয় নয়। তারা এখন ডলফিন-সাঁতারে মগ্ন। বিবিসি।
ত্যাগেই প্রকৃত সুখ!
সাভারের ফাহিম স্টুডিওতে গত ১ ডিসেম্বর একসঙ্গে পাঁচটি ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হলো। আগে থেকেই চূড়ান্ত ছিল, প্রতিটি ছবিতে অভিনয় করবেন ডিপজল। তাই ডিপজলের বিপরীতে সব ছবিতেই যে রেসি থাকবেন, এমন ধারণাই ছিল সবার। কিন্তু পাঁচ-পাঁচটি ছবি তো দূরের কথা, একটি ছবিতেও রেসির নাম ঘোষিত হলো না। ছবিগুলোর অভিনেত্রী হিসেবে মৌসুমী ও তন্দ্রা নামের নতুন একটি মেয়েকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলো। এমনকি রেসি সেদিন উপস্থিতও ছিলেন না। ফলে অনেকেই হতাশ হয়েছেন। এবার তাহলে রেসির ক্যারিয়ারের কী হবে? তিনি তো ডিপজল ছাড়া আর কারো বিপরীতে কাজই করেন না! তা ছাড়া ডিপজলের সঙ্গে কাজ করার জন্যই তিনি শাকিবের বিপরীতে প্রস্তাব আসা অনেক ছবি ছেড়ে দিয়েছেন। এমনকি দুই বছর আগে বদিউল আলম খোকনের 'নিঃশ্বাস আমার তুমি' ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েও পরে টাকা ফেরত দিয়েছেন। কিন্তু এত ত্যাগের পরিবর্তে কি ক্যারিয়ার জলাঞ্জলি দিলেন রেসি? এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে রেসি বলেন, 'আমি এসব নিয়ে চিন্তা করছি না। যা করেছি, তা ভালোই। পুরনো কথা ভাবতে চাই না। এই পাঁচটি ছবিতে আমাকে নেওয়া হয়নি, এমনও তো হতে পারে, পরের ছবিগুলোতে আমাকেই আবার কাজ করতে হচ্ছে। আর ক্যারিয়ার? আমি অন্যদের মতো অত চিন্তিত নই। দর্শক আমাকে প্রচুর ভালোবাসা দিয়েছেন। এরপর দরকার হলে চলচ্চিত্র ছেড়ে দেব, প্রয়োজনে ছোট পর্দায় কাজ করব।'
হ্যাকারদের কবলে সোনিয়ার প্রোফাইল পেজ
এবার হ্যাকারদের আক্রমণে ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর প্রোফাইল পেজ বিকৃত হয়েছে। ক্ষমতাসীন কংগ্রেস পার্টির ওয়েবসাইটে ঢুকে হ্যাকাররা গতকাল সোনিয়ার প্রোফাইল পেজ বিকৃত করে। একই সঙ্গে তারা প্রোফাইল পেজে সোনিয়া গান্ধীকে নিয়ে অশ্লীল বার্তাও লিখেছে। এমন দিনে হ্যাকাররা এ হামলা করল যেদিন সোনিয়া গান্ধীর ৬৫তম জন্মদিন। উল্লেখ্য, মাত্র দিন কয়েক আগেই ভারত সরকার ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দিয়েছে। এপি।
ডলফিন স্টাইলে সাঁতার
প্রতিটি মানুষ নতুন কিছু করতে চায়। আর নতুনের সন্ধানে যত সব প্রচেষ্টা। সেই প্রচেষ্টাস্বরূপ ফ্রেঞ্চ প্রযুক্তিবিদ ফ্রাঙ্কি জাপাতা জলজ প্রাণী ডলফিন স্টাইলে সাঁতার কেটে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন। তিনি ফ্লাইবোর্ডে ওয়াটার জেট সংযোগ করে ডলফিনের আদলে সাঁতার কেটে এই অসম্ভবকে সম্ভবে পরিণত করলেন। প্রযুক্তিপাগল জাপাতা ওয়াটার জেটের মাধ্যমে পানি থেকে ৩০ ফুট উপরে লাফিয়ে উঠে আবার পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। শূন্যে থেকেই তিনি দক্ষ ক্রীড়াবিদের মতো নানা অঙ্গভঙ্গিও করছেন। ইতোমধ্যে জাপাতার অত্যাধুনিক ফ্লাইবোর্ডের বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। এটার দাম চার হাজার দুইশ পাউন্ড। তবে শৌখিন ফ্লাইবোর্ডারদের কাছে দাম বড় বিষয় নয়। তারা এখন ডলফিন-সাঁতারে মগ্ন। বিবিসি।
Friday, December 9, 2011
ফেইসবুকে হ্যাকিংয়ের শিকার জুকারবার্গ! facebook haking
দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে চলছে জলবায়ূ সম্মেলন। পাশেই সমুদ্র তীরে শিশুদের হাতে কার্বন গ্যাসমুক্ত একটি প্রতিকী পৃথিবী তুলে দিচ্ছেন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ডের সদস্যরা। নির্মল যে নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন আগামী প্রজন্মকে দেখানো হচ্ছে তা কতদূর? সম্মেলনের নামে বিশ্বনেতারা শুধু নাটকই মঞ্চস্থ করে যাচ্ছেন। ছবি : এএফপি
এত দিন হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে সাধারণ ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা। ফেইসবুকের নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে এসব হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটছে বলে ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করলেও সে অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল ফেইসবুক। আর এবার হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন স্বয়ং ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ! হ্যাকাররা জুকারবার্গের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে বেশ কিছু ব্যক্তিগত ছবি, তথ্য এবং তাঁর মন্তব্য প্রকাশ করেছে। ছবিগুলোর মধ্যে জুকারবার্গের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকা প্রিসিলা চ্যানের বেশ কিছু ছবি এবং বন্ধুদের সঙ্গে তোলা ছবিও রয়েছে। তবে অনলাইনে ২৪টির মতো ছবি পাওয়া গেছে জুকারবার্গের ফাঁস হওয়া ছবির মধ্যে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তোলা একটি ছবিও প্রকাশ করেছে হ্যাকাররা। এ ছাড়া জুকারবার্গের পোষা কুকুরের সঙ্গেও একটি ছবি রয়েছে সেখানে।
ছবিগুলো প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক অনুসন্ধান করে ফেইসবুকের নিরাপত্তা দল। অনুসন্ধান শেষে তারা স্বীকার করে, ফেইসবুকের একটি ত্রুটির কারণে হ্যাকাররা ছবিগুলো চুরি করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এ ত্রুটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে দূর করা হবে বলে জানিয়েছে ফেইসবুক।
শাকিলুর
রাহমান, সূত্র : ইন্টারনেট।
এত দিন হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে সাধারণ ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা। ফেইসবুকের নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে এসব হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটছে বলে ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করলেও সে অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল ফেইসবুক। আর এবার হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন স্বয়ং ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ! হ্যাকাররা জুকারবার্গের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে বেশ কিছু ব্যক্তিগত ছবি, তথ্য এবং তাঁর মন্তব্য প্রকাশ করেছে। ছবিগুলোর মধ্যে জুকারবার্গের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকা প্রিসিলা চ্যানের বেশ কিছু ছবি এবং বন্ধুদের সঙ্গে তোলা ছবিও রয়েছে। তবে অনলাইনে ২৪টির মতো ছবি পাওয়া গেছে জুকারবার্গের ফাঁস হওয়া ছবির মধ্যে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তোলা একটি ছবিও প্রকাশ করেছে হ্যাকাররা। এ ছাড়া জুকারবার্গের পোষা কুকুরের সঙ্গেও একটি ছবি রয়েছে সেখানে।
ছবিগুলো প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক অনুসন্ধান করে ফেইসবুকের নিরাপত্তা দল। অনুসন্ধান শেষে তারা স্বীকার করে, ফেইসবুকের একটি ত্রুটির কারণে হ্যাকাররা ছবিগুলো চুরি করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এ ত্রুটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে দূর করা হবে বলে জানিয়েছে ফেইসবুক।
শাকিলুর
রাহমান, সূত্র : ইন্টারনেট।
Toyota car টয়োটার ভবিষ্যতের গাড়ি
সম্প্রতি জাপানি গাড়ি নির্মাতা টয়োটা এমন একটি গাড়ি তৈরি করছে যা আসলে স্মার্টফোন, গেম মেশিন এবং গাড়ির সমন্বয়। ২০১১ টোকিও মোটর শোতে 'টয়োটা ফান-৭' নামের এ গাড়ির নকশা দেখিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এমনকি এ গাড়ির রং রিয়েল টাইমেই পরিবর্তন করে নেওয়া যাবে। ১৩ ফুট লম্বা গাড়িটি ৩ সিটের। গাড়ির ইনটেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র হিসেবে খালি স্লেট ব্যবহার করা হয়েছে। পরিবেশ এবং পছন্দানুসারে রিয়েল টাইমে রং পরিবর্তন করে নিতে পারবেন চালক। আর রং পরিবর্তন করতে ওয়্যারলেস প্রযুক্তিতে স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার হবে। আর গাড়ির রং পরিবর্তিত হবে হলোগ্রাফিক প্রযুক্তিতে।
আর হবে না টায়ার পাংচার
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুত্তির লাগামহীনভাবে এগিয়ে চলা যেন কমছেই না। ক্রমেই আসছে তাক লাগানো নতুন সব পণ্য। বিশ্বের বৃহত্তম টায়ার এবং রাবার কোম্পানি ব্রিজস্টোন সম্প্রতি নতুন টায়ার উদ্ভাবন করেছে, যাতে কোনো বাতাস থাকবে না। ফলে পাংচারের শঙ্কাও থাকবে না। শক্ত কাঠামোতে তৈরি এ টায়ারে বাতাসের কোনো ব্যবহার নেই, তাই ফ্ল্যাট টায়ারের যুগ সম্ভবত শেষ হয়ে যাবে বলে ব্রিজস্টোন কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে। নতুন প্রযুক্তির এ টায়ার বাজারে আনার আগে আরও পরীক্ষা করে দেখবে। নতুন এ টায়ার এমন উপাদান দিয়ে তৈরি যা সহজেই পুরোপুরি রিসাইকেল করা যাবে। বায়ুবিহীন টায়ারের প্রযুক্তি ২০০৬ সাল থেকেই আলোচনায় আছে। অপর বিখ্যাত টায়ার নির্মাতা মিচলিন এর আগে 'এয়ারলেস টুইল টায়ার' উদ্ভাবন করে ২০০৬ সালে ইন্টারম্যাট গোল্ড মেডেল জিতেছিল। * ইনফোটেক ডেস্ক
আয়নার সামনেও রোবট স্মার্ট
রোবট যে কত কিছু করতে পারে তা আর নতুন করে না হয় নাই বললাম। নানা সময়ে নানা রকম সব ভূমিকায় রোবটকে উপস্থিত হতে দেখেছি আমরা। সম্প্র্রতি গবেষকরা এমন একটি রোবট তৈরি করেছেন যেটি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে চিনতে পারে। রোবট যথেষ্ট স্মার্ট এবং রোবটের মধ্যে আত্মসচেতনতার সময় এসেছে। মানুষের পাশাপাশি বেশকিছু প্রাণীও কিন্তু আয়নার সামনে নিজেকে চিনতে পারে। আয়নার সামনে নিজেকে চিনতে পারা বুদ্ধিমত্তার চিহ্ন। তবে রোবটের মধ্যে আয়নার সামনে নিজেকে চিনতে পারার মতো বুদ্ধিমত্তা যোগ করতে এখনও গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষকরা। গবেষকদের তৈরি রোবটটির নাম 'কিউবো'।
স্বাগত উইন্ডোজ-৮(windows8)
কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর! উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ উইন্ডোজ-৮ ফেব্রুয়ারিতে বাজারে আসছে বলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ-৮ সম্পূর্ণ নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হচ্ছে বলেই মাইক্রোসফট দাবি করেছে। উইন্ডোজ-৯৫ সংস্করণের পর অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উইন্ডোজ গুরুত্ব এ সংস্করণেই দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য সংস্করণে মাল্টিটাস্কিং সুবিধার কথা বলা হলেও উইন্ডোজ-৮-এ পাওয়া যাবে আসল মাল্টিটাস্কিংয়ের মজা। এতে অ্যাপ্লিকেশন স্টোর, যেখান থেকে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ক্লাউড কম্পিউটিংভিত্তিক এ অপারেটিং সিস্টেমে ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য বিভিন্ন টুলস দিয়ে দেওয়া হয়েছে যা ইতোমধ্যে ডেভেলপারদের কাছে প্রশংসা পেয়েছে। নতুন অনেক ফিচার রয়েছে উইন্ডোজ-৮-এ। ইউজার ইন্টারফেস, টাচ, স্কাইড্রাইভ, অ্যাপস্টোর, এআরএম প্রসেসর, টাস্ক ম্যানেজারসহ বেশকিছু নতুন ফিচার। সূত্র : ইন্টারনেট
স্বাগত উইন্ডোজ-৮(windows8)
কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর! উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ উইন্ডোজ-৮ ফেব্রুয়ারিতে বাজারে আসছে বলেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ-৮ সম্পূর্ণ নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হচ্ছে বলেই মাইক্রোসফট দাবি করেছে। উইন্ডোজ-৯৫ সংস্করণের পর অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উইন্ডোজ গুরুত্ব এ সংস্করণেই দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য সংস্করণে মাল্টিটাস্কিং সুবিধার কথা বলা হলেও উইন্ডোজ-৮-এ পাওয়া যাবে আসল মাল্টিটাস্কিংয়ের মজা। এতে অ্যাপ্লিকেশন স্টোর, যেখান থেকে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ক্লাউড কম্পিউটিংভিত্তিক এ অপারেটিং সিস্টেমে ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য বিভিন্ন টুলস দিয়ে দেওয়া হয়েছে যা ইতোমধ্যে ডেভেলপারদের কাছে প্রশংসা পেয়েছে। নতুন অনেক ফিচার রয়েছে উইন্ডোজ-৮-এ। ইউজার ইন্টারফেস, টাচ, স্কাইড্রাইভ, অ্যাপস্টোর, এআরএম প্রসেসর, টাস্ক ম্যানেজারসহ বেশকিছু নতুন ফিচার। সূত্র : ইন্টারনেট
বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইউবি) দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। চলতি বছর সাফল্যের পথচলার ৯ বছর অতিক্রম হয়েছে এটির। ইতোমধ্যে অনেক অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এরই একটি অংশ। বস্ত্র তৈরিতে নিয়োজিত গার্মেন্টস এবং টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে নেতৃত্ব দিচ্ছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়াররা। বেসরকারি পর্যায়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। দেশের যে কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স অফার করছে সেগুলোর অন্যতম এনইউবি। নর্দানই একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে প্রথমে সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ল্যাব স্থাপন করা হয় এবং তারপর চালু হয় টেক্সটাইল প্রোগ্রাম । এ বিভাগে রয়েছে ৬টি সর্বাধুনিক ল্যাব। ফেব্রিক কাটিং মেশিন, হ্যান্ড সক মেশিন, চেইন স্টিচ মেশিন, নিটিং মেশিন, সুয়িং মেশিন, ওভারলক মেশিন, ডায়িং অ্যান্ড ওয়াশিং মেশিন, বাটন এটাচিং মেশিন, রিং স্পিনিং মেশিন, পাওয়ার লুম, রেপরিল, জিএসএম কাটার ইত্যাদি দিয়ে সাজানো এ ল্যাবগুলো। বিশিষ্ট টেক্সটাইল শিক্ষাবিদ ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে বিভাগটি পরিচালনার জন্য রয়েছে একঝাঁক তরুণ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের সুযোগও রয়েছে ব্যাপক। দেশ-বিদেশের টেক্সটাইলও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, বায়িং হাউস, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, ব্যাংক, বিএসটিআই, জুট মিলস কর্পোরেশন ইত্যাদিতে রয়েছে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা। এছাড়া জাপান, জার্মানি এবং ইংল্যান্ডে টেক্সটাইল সেক্টরে উচ্চশিক্ষার রয়েছে অপূর্ব সুযোগ। তাই এ প্রজন্মের তরুণদের মধ্যে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার প্রচণ্ড আগ্রহও লক্ষ করা যাচ্ছে। বনানী ১৭ নম্বর রোডের এনইউবি'র ক্যাম্পাসে স্প্রিং ২০১২ সেমিস্টারে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চার বছরের অনার্স এবং তিন বছরের ডিপ্লোমা_ এ দুটি লেভেলেই কোর্সটি সম্পন্ন করা যাবে। এসএসসি ও এইচএসসি'র ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি ফির ওপর ছাড়ও রয়েছে। বিস্তারিত : ৮৮১৮১৩১-৩, ৯৮৯২০৫৪, ৯৮৯৮৫২১ । ওয়েবসাইট : www.nub.ac.bd
Thursday, December 8, 2011
new satelite
কেপলার ২২-বি। যেন পৃথিবীর যমজ ভাই। বলতে গেলে পৃথিবীর বাইরে আরেকটি পৃথিবী। মিল এতটাই যেন একে অন্যের প্রতিচ্ছবি। সৌরজগতের বাইরে আবিষ্কৃত এ নতুন গ্রহকে ঘিরে গোটা বিশ্বে হৈচৈ পড়ে গেছে। অনেকের মতে এটি হতে পারে মানুষের 'ফিউচার হোম'। মঙ্গলবার মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আবিষ্কৃত এই গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে কেপলার ২২-বি। পৃথিবী থেকে এর অবস্থান ছয়শ আলোকবর্ষ দূরে। আকৃতিতে পৃথিবীর আড়াই গুণ। এ গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বও মিলতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এমন ধারণার পিছনে অনেক কারণও আছে। কেপলার ২২-বি'র তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, যা জীবনধারণের পক্ষে রীতিমতো উপযুক্ত। এ ছাড়া পৃথিবী যেমন সূর্যের চারদিকে ঘুরছে ঠিক তেমনি একটা নক্ষত্রকে ঘিরে ঘুরে চলছে এ গ্রহটি। এর আগেও একাধিক বার ব্রহ্মাণ্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক নতুন গ্রহ আবিষ্কার হয়েছে। তাতে প্রাণ থাকার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু এবার রীতিমতো আটঘাট নেমেছে নাসা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গ্রহটির প্রথম অস্তিত্ব টের পায় অতি আধুনিক কেপলার দূরবীক্ষণ। আর কেপলারের কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দিতেই গ্রহটির নাম রাখা হয়েছে কেপলার ২২-বি। ২০০৯-এর মার্চে প্রায় ৬০ কোটি ডলারের একটি বিশেষ উপগ্রহের সাহায্যে কেপলারকে মহাকাশে পাঠিয়েছিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা। উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে প্রাণের সন্ধান করা। সেই থেকে এখনো পর্যন্ত 'হ্যাবিটেক্স জোনে' যে সব গ্রহ বিভিন্ন নক্ষত্রকে ঘিরে ঘুরছে তাদেরকে নজরে রাখা এবং গ্রহগুলো সম্পর্কে যা তথ্য পাওয়া যায় তা পৃথিবীতে পাঠানোর দায়িত্ব কেপলারের। নাসার দাবি, ২০০৯-এর মার্চ থেকে এখনো পর্যন্ত ১০৯৪টি নতুন গ্রহের সন্ধান দিয়েছে কেপলার। এদের মধ্যে অন্তত ৪৮টি গ্রহে প্রাণ থাকার পরিবেশ আছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তা হলে সদ্য আবিষ্কৃত কেপলার ২২-বি নিয়ে এত উৎসাহ কেন? নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহটির অবস্থান এবং বাইরের পৃষ্ঠের উষ্ণতা কেপলার ২২-বি কে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝে যে দূরত্ব অনেকটা সে রকমই দূরত্ব রয়েছে কেপলার ২২-বি এবং একটি নক্ষত্রের মাঝে। সেই নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরছে কেপলার ২২-বি। নক্ষত্রটির চারদিকে একপাক ঘুরতে গ্রহটির সময় লাগে ২৯০ দিন। আর সূর্যের চারদিকে একপাক ঘুরতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন। এর বাইরের পৃষ্ঠের উষ্ণতা আনুমানিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৭২ ডিগ্রি ফারেনহাইট! পৃথিবীর সঙ্গে এত সাদৃশ্য থাকায় শুধু পানি বা বায়ুমণ্ডল নয় সেই সঙ্গে গ্রহটিতে প্রাণ থাকারও সম্ভাবনা নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী বিজ্ঞানীমহল। তবে পৃথিবী থেকে আড়াই গুণ বড় কেপলার ২২-বি গ্রহটি কঠিন, গ্যাসীয় না তরল তা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত নাসার বিজ্ঞানীরা। 'সান হোস স্টেট ইউনিভার্সিটির' জ্যোতির্বিজ্ঞানী নাটালি বাতাল্লা নাসার এই 'কেপলার' অভিযানের অন্যতম গবেষক। তিনি জানিয়েছেন, আমরা এক নতুন পৃথিবী খোঁজার পথে অনেক দূর এগিয়েছি। কিন্তু আরও অনেক পথ যেতে হবে।
Wednesday, December 7, 2011
free domain
Online Forex Trading
Trade Mini And Standard Forex On The Same Low Spreads. Free Demo!
Alpari.co.uk
Video Chat For Free
Video Chat & Connect With Friends On Facebook. Sign Up Today!
www.Facebook.com
Bangladeshi Linux Hosting
Web Hosting PHP, MySQL, cPanel -WHM Secure & Reliable Reseller hosting
Eicra.com
Web Hosting - Bangladesh
$4.95 - Unlimited Storage & Email Reliable Hosting at neoLunarpages
Trade Mini And Standard Forex On The Same Low Spreads. Free Demo!
Alpari.co.uk
Video Chat For Free
Video Chat & Connect With Friends On Facebook. Sign Up Today!
www.Facebook.com
Bangladeshi Linux Hosting
Web Hosting PHP, MySQL, cPanel -WHM Secure & Reliable Reseller hosting
Eicra.com
Web Hosting - Bangladesh
$4.95 - Unlimited Storage & Email Reliable Hosting at neoLunarpages
Sunday, December 4, 2011
গুহার নেট
বিশ্বের সবচেয়ে বড় গুহা নেটওয়ার্কের নাম হ্যাংসন ডুং। ভিয়েতনামের হিন নামমো নামক অঞ্চলে এই গুহা নেটওয়ার্কের অবস্থান। আজ থেকে প্রায় ১৮ বছর আগে গুহাটি আবিষ্কৃত হয়। ব্রিটিশ গুহা গবেষণা সংগঠনের প্রধান হাওয়ার্ড লিমবিট ১০ এপ্রিল ২০০৯ সালে বিশ্বের বৃহত্তম এই গুহা নেটওয়ার্কের আয়তন, প্রশস্ততা পরিমাপ করতে সক্ষম হন। হ্যাংসন ডুংয়ের প্রশস্ততা ২০০ মিটারের বেশি, ১৫০ মিটারের বেশি এর উচ্চতা ও দীর্ঘ ৬.৫ কিলোমিটার। গুহাটি আবিষ্কারের মালয়েশিয়ার ডির গুহা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় গুহা। ভিয়েতনামের জাতীয় উদ্যান ফুং না কিং ব্যাংয়ের পাশেই হ্যাংসন ডুংয়ের অবস্থান। অতি রহস্যময় গুহাটি প্রায় ১৫০টি গুহার সমন্বয়ে গঠিত। মজার ব্যাপার হলো গবেষক দল গুহাটির আয়তন পরিমাপ করতে পারলেও এর শেষ খুঁজে বের করতে পারেনি। ২০০৯ সালে হাওয়ার্ড, রিমটি ফুং না কি ব্যাং ন্যাশনাল পার্ক থেকে এই গুহা আবিষ্কারের কাজ শুরু করেন। লিমবিট ও তার গবেষণা দল গুহা আবিষ্কারের সময় সম্মুখীন হয় নানা বিপদ-আপদের। তারা গুহার মধ্যে পান বিষধর সাপ, বড় মাকড়সা, অদ্ভুত সব প্রাণী ও অজানা-অচেনা, বৃক্ষরাজি। তারা গুহার মধ্যে দেখতে পান ছোট ছোট পানির ফোয়ারা। গুহার মধ্যে রয়েছে অনেক সুড়ঙ্গ পথ। যেসব পথ দিয়ে অতি সহজেই ভিয়েতনামের এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে যাতায়াত করা যায়। গুহার মধ্যে পানির ফোয়ারা ছাড়াও রয়েছে একাধিক জঙ্গল। দূর থেকে দেখতে হ্যাংসন ডুংকে দোতলা বাসের মতো মনে হয়। যে কারণে হ্যাংসন ডুং অতি আকর্ষণীয় গুহা হিসেবে বিবেচিত।
Bangla sex video
ইন্টারনেট এ নানান রকমের sexula site ক্ষতিকর ।এগুলো আছিরেই বন্দ করার জন্য সবার উদ্দ্যোগ নেওয়া উচিত
Saturday, December 3, 2011
উচ্ছ্বল হাসির রসায়ন
ঈষৎ হাসি কিংবা অট্টহাসি মূলত প্রফুল্ল মনের চিত্রই আমাদের সামনে তুলে ধরে। আমাদের অভিব্যক্তিতে তখন বয়ে যায় অফুরন্ত আনন্দধারা। চোখ-মুখ উৎফুল্ল হয়ে ওঠে উচ্ছ্বাস আর খুশির জোয়ারে। ঈষৎ হাসিতে মুখের পেশিতে ভাঁজ পড়ে। ফলে পেশির ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া রক্তনালীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটে যায় মেসেজ। এ সময় রক্তনালী উদ্দীপ্ত হয়, দ্রুত গতি লাভ করে প্রবাহমান রক্তধারা। খুব সহজেই রক্ত পেঁৗছে যায় ব্রেইনে। মস্তিষ্কে তখন পর্যাপ্ত অক্সিজেন পেঁৗছে যায়। প্রফুল্ল মনে স্ট্রেস কমে যায়। কারণ এ সময়ে নরএড্রিনালিন ও কর্টিজল হরমোনের নিঃসরণ ঘটে সঠিক মাত্রায়। এ দুটি হরমোন স্ট্রেস নামিয়ে আনে। একই সঙ্গে এন্ডরফিনস নামক সুখী হরমোন দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। দেহমনে জেগে ওঠে ঐশ্বরিক এক প্রশান্তি।
বিভিন্ন কারণে আমরা হাসি, প্রফুল্ল থাকি। মূলত এটি একটি বন্ধনের ব্যাপার। সামাজিক শিক্ষণের মাধ্যমে শিশুকাল থেকেই বৈশিষ্ট্যটি নানা আঙ্গিক থেকে আমাদের সমৃদ্ধ করে। শিশুরা এতই দুর্বল থাকে যে, দীর্ঘক্ষণ মাকে আঁকড়ে থাকতে পারে না। মা নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন। শিশুা কাঁদলে মায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে ঠিকই। মাও নানা ছলে ভুলিয়ে শিশুকে শান্ত করেন, আবার হয়তো ডুবে যান নিজের কাজে। ডেসমন্ড মরিসের গবেষণা থেকে দেখা যায়, শিশুর প্রাণোচ্ছল হাসিতে মা শিশুর সানি্নধ্য ছেড়ে যেতে পারে না। মায়ের মনে শিশুর এই হাসি ঐশ্বরিক মায়ায় উদ্দীপ্ত করে তোলে। ফলে নিজের অজান্তেই মা বেশি সময় দেন শিশুকে। বেশি বেশি সময় কোলে তুলে তাকে আদরে-সোহাগে ভাসিয়ে দেন। এই বন্ধন যেন প্রকৃতিরই এক গোপন ধারা।
আবার অট্ট হাসিতে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বেড়ে যায়, রক্ত প্রবাহ গতিময়তা লাভ করে। স্কেলিটাল পেশি এ সময় সক্রিয় হয়ে ওঠে, স্নায়ুরেখার উদ্দীপনা ঘটে। একই সঙ্গে দেহে ঢোকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন। ফুসফুসের আনাচে-কানাচে যে অবশিষ্ট দূষিত বাতাস থাকে, হাসির দাপটে তা বেরিয়ে যায়। ঈষৎ হাসি শরীরের প্রতিরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলেও অট্টহাসি হচ্ছে জটিল একটি প্রতিক্রিয়া। বিজ্ঞানীরা অট্টহাসির সাতটি কারণ শনাক্ত করেছেন। নিচে কারণগুলো তুলে ধরা হলো_
১. মজাদার গল্প, ২. সুঁড়সুঁড়ি ৩. জয়ের আনন্দ ৪. অপ্রত্যাশিত বস্তুর প্রাপ্তিতে বিস্ময় ৫. ভেতরগত প্রফুল্লতা ৬. লজ্জা কিংবা চিন্তা থাকা ৭. অসঙ্গত অসামঞ্জস্য প্রেক্ষাপট। এছাড়াও রয়েছে বিদ্রূপাত্মক চাপা হাসি, টেনশন চাপা দেওয়ার কৌশলপূর্ণ হাসি, নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য মনে মনে হাসা, অস্বস্তিকর অবস্থা চাপা দেওয়ার জন্য মুখ চেপে হাসা। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য হাসির সব অনুষঙ্গ মানুষের জন্য প্রয়োজন রয়েছে।
হাসির ইতিবাচক মূল্যায়ন বিবেচনা করে দেহ ও মনের সুস্থতার জন্য বিশ্বের অনেক দেশেই হাসার জন্য ক্লাব গড়ে উঠেছে। হো হো করে উচ্চঃস্বরে প্রাণখোলা হাসার প্র্যাকটিস করা হয় ওই সব ক্লাবে।
প্রাতঃভ্রমণ করতে যেয়ে অতি ভোরে সদস্যরা হাজির হয় ওই ক্লাবে, পরিবেশই স্বতঃস্ফূর্ত হাসিতে উদ্বুদ্ধ করে তাদের। এভাবেই তারা শুরু করে দিনের যাত্রা।
হাসির সময় দেহের উপরের অংশ তথা কাঁধ, বাহু, ডায়াগ্রাম, পেট এমনকি পায়ের দিকে রক্ত সংবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। গবেষকরা মনে করেন ১০০-২০০ বার হাসা দশ মিনেটের জগিংয়ের চেয়েও উত্তম। হাসির ইতিবাচক ফল দশ মিনিটের সীমাবদ্ধতাকেও ছাড়িয়ে যায়। উচ্চ হাসিতে পেটের পেশি উদ্দীপ্ত হয়। ফলে পেশি রিলাক্স হয়, উচ্চরক্তচাপ কমে আসে, রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় গতি লাভ করে। পরিপাকতন্ত্রের কাজের ক্ষমতাও বাড়ে, হজম ক্রিয়া থাকে স্বাভাবিক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হাসপাতালে হাসির এই রসায়ন ও ম্যাজিকের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তাই ব্যবস্থাপত্রে রোগীর বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে লিখে দেওয়া হচ্ছে, অট্ট হাসিই শ্রেষ্ঠ মেডিসিন।
বিভিন্ন কারণে আমরা হাসি, প্রফুল্ল থাকি। মূলত এটি একটি বন্ধনের ব্যাপার। সামাজিক শিক্ষণের মাধ্যমে শিশুকাল থেকেই বৈশিষ্ট্যটি নানা আঙ্গিক থেকে আমাদের সমৃদ্ধ করে। শিশুরা এতই দুর্বল থাকে যে, দীর্ঘক্ষণ মাকে আঁকড়ে থাকতে পারে না। মা নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন। শিশুা কাঁদলে মায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে ঠিকই। মাও নানা ছলে ভুলিয়ে শিশুকে শান্ত করেন, আবার হয়তো ডুবে যান নিজের কাজে। ডেসমন্ড মরিসের গবেষণা থেকে দেখা যায়, শিশুর প্রাণোচ্ছল হাসিতে মা শিশুর সানি্নধ্য ছেড়ে যেতে পারে না। মায়ের মনে শিশুর এই হাসি ঐশ্বরিক মায়ায় উদ্দীপ্ত করে তোলে। ফলে নিজের অজান্তেই মা বেশি সময় দেন শিশুকে। বেশি বেশি সময় কোলে তুলে তাকে আদরে-সোহাগে ভাসিয়ে দেন। এই বন্ধন যেন প্রকৃতিরই এক গোপন ধারা।
আবার অট্ট হাসিতে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বেড়ে যায়, রক্ত প্রবাহ গতিময়তা লাভ করে। স্কেলিটাল পেশি এ সময় সক্রিয় হয়ে ওঠে, স্নায়ুরেখার উদ্দীপনা ঘটে। একই সঙ্গে দেহে ঢোকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন। ফুসফুসের আনাচে-কানাচে যে অবশিষ্ট দূষিত বাতাস থাকে, হাসির দাপটে তা বেরিয়ে যায়। ঈষৎ হাসি শরীরের প্রতিরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলেও অট্টহাসি হচ্ছে জটিল একটি প্রতিক্রিয়া। বিজ্ঞানীরা অট্টহাসির সাতটি কারণ শনাক্ত করেছেন। নিচে কারণগুলো তুলে ধরা হলো_
১. মজাদার গল্প, ২. সুঁড়সুঁড়ি ৩. জয়ের আনন্দ ৪. অপ্রত্যাশিত বস্তুর প্রাপ্তিতে বিস্ময় ৫. ভেতরগত প্রফুল্লতা ৬. লজ্জা কিংবা চিন্তা থাকা ৭. অসঙ্গত অসামঞ্জস্য প্রেক্ষাপট। এছাড়াও রয়েছে বিদ্রূপাত্মক চাপা হাসি, টেনশন চাপা দেওয়ার কৌশলপূর্ণ হাসি, নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য মনে মনে হাসা, অস্বস্তিকর অবস্থা চাপা দেওয়ার জন্য মুখ চেপে হাসা। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য হাসির সব অনুষঙ্গ মানুষের জন্য প্রয়োজন রয়েছে।
হাসির ইতিবাচক মূল্যায়ন বিবেচনা করে দেহ ও মনের সুস্থতার জন্য বিশ্বের অনেক দেশেই হাসার জন্য ক্লাব গড়ে উঠেছে। হো হো করে উচ্চঃস্বরে প্রাণখোলা হাসার প্র্যাকটিস করা হয় ওই সব ক্লাবে।
প্রাতঃভ্রমণ করতে যেয়ে অতি ভোরে সদস্যরা হাজির হয় ওই ক্লাবে, পরিবেশই স্বতঃস্ফূর্ত হাসিতে উদ্বুদ্ধ করে তাদের। এভাবেই তারা শুরু করে দিনের যাত্রা।
হাসির সময় দেহের উপরের অংশ তথা কাঁধ, বাহু, ডায়াগ্রাম, পেট এমনকি পায়ের দিকে রক্ত সংবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। গবেষকরা মনে করেন ১০০-২০০ বার হাসা দশ মিনেটের জগিংয়ের চেয়েও উত্তম। হাসির ইতিবাচক ফল দশ মিনিটের সীমাবদ্ধতাকেও ছাড়িয়ে যায়। উচ্চ হাসিতে পেটের পেশি উদ্দীপ্ত হয়। ফলে পেশি রিলাক্স হয়, উচ্চরক্তচাপ কমে আসে, রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় গতি লাভ করে। পরিপাকতন্ত্রের কাজের ক্ষমতাও বাড়ে, হজম ক্রিয়া থাকে স্বাভাবিক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হাসপাতালে হাসির এই রসায়ন ও ম্যাজিকের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তাই ব্যবস্থাপত্রে রোগীর বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে লিখে দেওয়া হচ্ছে, অট্ট হাসিই শ্রেষ্ঠ মেডিসিন।
বয়স্কদের সুখনিদ্রায় করণীয়
ঘুম একটি অতি জরুরি কাজ। কাজ বলছি এ জন্য, ঘুমানোর জন্যও আমাদের কিছু না কিছু করতে হয়। জন্মের পর প্রথম দিকে যেখানে দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা ঘুম হতো। তা ২০ বছর বয়সে এসে ৬ ঘণ্টা নেমে আসে। বয়স বাড়তে থাকলে সময়ও কমতে থাকে। অধিকাংশ মানুষই নিদ্রাহীনতায় ভোগে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০-এর বেশি বয়সের পুরুষরা তাদের প্রতি ১০ বছর অতিক্রমের জন্য ২৮ মিনিট করে কম ঘুমায়। ৬০ বছর বয়সের আগেই তাদের গভীর ঘুম উধাও হয়। ৫০ বছর বয়সের একজন মানুষের রক্তে তার ৩০ বছর বয়সের ১০ গুণ কটিসোল উপস্থিত থাকে। যা তার ঘুম হরণ করে। আবার প্রতি ২৫ জনে এক জনের ঘুমের মধ্যে হঠাৎ খুব অল্প সময়ের জন্য শ্বাস আটকে গিয়ে সে জেগে উঠে। এর সঙ্গে যোগ হয় প্রস্টেট গ্রন্থির কারণে নানাবিধ সমস্যা ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া, তলপেট মূত্রাশয় ভাব থাকার কারণে টান টান হয়ে থাকা। এ বয়সে গভীর ঘুমের জন্য যা করা উচিত_
প্রিচুর ভিটামিন বি-৫ সমৃদ্ধ খাদ্য খান। রাতে শর্করা জাতীয় বেশি পরিমাণে খাবার চেষ্টা করুন। এতে কটিসোল নিঃসরণ কমবে, সোরাটোনিন নিঃসরণ বাড়বে, ঘুম আসবে।
ঘিুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসলে তার জন্য চিকিৎসা করাতে হবে।
যিাদের হৃদরোগের জন্য ওষুধ খেতে হচ্ছে তাদের চিকিৎসক তার অনিদ্রা বা গভীর ঘুম না হওয়ার কথাটি জানাবে অথবা অন্যান্য ওষুধ খাবার বেলায়ও ঘুমের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
রিাতে ৩-৪ বার প্রস্রাব করতে যেতে হলে ডাক্তারকে জানান। প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে হয়ে গেলে এরূপ হতে পারে।
ঘুমানোর সময় ও পরিবেশ যতটা সম্ভব অপরিবর্তনীয় রাখুন।
ডা. শাহ্জাদা সেলিম
অ্যান্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগ, বারডেম ঢাকা। ফোন : ০১৯১৯০০০০২২
প্রিচুর ভিটামিন বি-৫ সমৃদ্ধ খাদ্য খান। রাতে শর্করা জাতীয় বেশি পরিমাণে খাবার চেষ্টা করুন। এতে কটিসোল নিঃসরণ কমবে, সোরাটোনিন নিঃসরণ বাড়বে, ঘুম আসবে।
ঘিুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসলে তার জন্য চিকিৎসা করাতে হবে।
যিাদের হৃদরোগের জন্য ওষুধ খেতে হচ্ছে তাদের চিকিৎসক তার অনিদ্রা বা গভীর ঘুম না হওয়ার কথাটি জানাবে অথবা অন্যান্য ওষুধ খাবার বেলায়ও ঘুমের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
রিাতে ৩-৪ বার প্রস্রাব করতে যেতে হলে ডাক্তারকে জানান। প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে হয়ে গেলে এরূপ হতে পারে।
ঘুমানোর সময় ও পরিবেশ যতটা সম্ভব অপরিবর্তনীয় রাখুন।
ডা. শাহ্জাদা সেলিম
অ্যান্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগ, বারডেম ঢাকা। ফোন : ০১৯১৯০০০০২২
জাল টাকা
কম্পিউটারে টাকার নকশার কাজ করে কমান্ড দিলেই প্রিন্টার মেশিন থেকে বেরিয়ে আসে কড়কড়ে টাকা। কিন্তু সব টাকাই জাল। বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও সামগ্রী দিয়ে জাল টাকা তৈরির সময় পুলিশ ৫ অক্টোবর মো. মাসুদ রানা ওরফে নান্নুকে রাজধানীর পল্লবীর ভাড়া বাসা থেকে টাকা ও টাকা তৈরির সরঞ্জামসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। ১২ অক্টোবর মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক এম এ সালাম এর কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর হয়। গত ২০ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন চাওয়া হলে বৃহস্পতিবার জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক মো. জহুরুল হক। আদেশে বলা হয়, আসামির মাতার দুটি কিডনি নষ্ট অথচ চিকিৎসার জন্য কেউ নেই। আসামির মায়ের চিকিৎসার বিষয় বিবেচনা করে ১ মাসের জন্য ১০ হাজার ঢাকা মুচলেকায় জামিন প্রদান করা হলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আইনজীবী জানিয়েছেন, আসামির পিতা ও অন্যান্য স্বজন আছে, এজাহার ও এফআইআরে পিতার নামের জায়গায় মৃত লেখা নেই। চিকিৎসার জন্য অন্য কেউ নেই সঠিক নয়। আসামি মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামিন হাসিল করেছেন। জানা যায়, পল্লবী থানার এএস আই থানাধীন সেকশন-৭, ব্লক-বি, রোড-৮, বাসা-৪৪ এর চতুর্থ তলার পিছনের ফ্ল্যাট থেকে মো. মাসুদ রানা ওরফে নান্নুর দখল থেকে ১০০০ টাকার জাল নোট ৩৭১টি, ৫০০ টাকার জাল নোট ১৭টি, ১০০ টাকার জাল নোট ১০০টি, ১০০০ টাকা প্রিন্ট সংবলিত নোটের কাগজ মোট ২০ পিস এবং ১০০ টাকার প্রিন্ট দেওয়া ৭ পিস, ১০০০ টাকা নোট তৈরি করার কাগজ ৬৪০ পিস যাতে ১০০০ টাকার নিরাপত্তা সুতা লাগানো আছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক লেখা নিরাপত্তা স্টিকার যুক্ত জাল নোট তৈরির কাগজ ১ বান্ডিল জব্দ করে। এ ছাড়া জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত সোনালি রং অনুমান ১০০ গ্রাম কেমিক্যাল এবং সিলভার রং অনুমান ২০০ গ্রাম কেমিক্যাল, নোট ছাপানোর স্ক্যানার যার প্রতিটিতে বাংলাদেশ ব্যাংক লেখা, জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত দুটি প্রিন্টার ও একটি সিপিইউ, একটি কী বোর্ড ও একটি মাউস ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড লেখা পাঁচটি অ্যাকাউন্টের চেক বই জব্দ করা হয়।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে জাল নোটের মামলা হলেও অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি হচ্ছে না। ফলে কারিগররা রয়ে যাচ্ছে পর্দার আড়ালে। এ কারণে জালিয়াতি চক্রের বিশাল সিন্ডিকেট দেশব্যাপী নিয়ন্ত্রণ করছে জাল টাকার ব্যবসা। অনেক বিদেশি নাগরিক জাল টাকা তৈরি করে সরবরাহ ও বাজারজাতকরণে জালিয়াত চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। এ চক্রের একাধিক সদস্য র্যাব-পুলিশের হাতে জাল টাকা ও তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার হলেও জামিনে বেড়িয়ে আবার জাল টাকার ব্যাবসা করছে। এ ছাড়া পুলিশ চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) আসামিদের স্থায়ী ঠিকানা সঠিক দেয় না ও যে নামে গ্রেফতার করা হয় সে নাম ও বর্তমান ঠিকানা থানায় রেকর্ড করা হয়। আসল নাম ও স্থায়ী ঠিকানা আর জানা হয় না। এ সুযোগে জামিনে বেরিয়ে ঠিকানা পরিবর্তন করার পর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। পরে সাজা হলেও আর সাজা কার্যকর হয় না। ফলে রাতারাতি ধনী হওয়ার স্বপ্নে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসায়ী ও অপরাধীরা জড়িয়ে পড়ছে এ পথে।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, যে হারে জাল টাকার মামলা হচ্ছে সে তুলনায় নিষ্পত্তির সংখ্যা অনেক কম। মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি না হওয়ায় শাস্তি হচ্ছে না। এতে অপরাধীদের মধ্যে কোনো ভয়ভীতি সৃষ্টি হচ্ছে না। প্রচলিত আইনে রয়েছে বড় ধরনের দুর্বলতা। যে কারণে আইনের প্রয়োগ কঠোরভাবে হচ্ছে না। ঢাকা আইনজীবী সমিতির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, জাল টাকা তৈরি চক্রের প্যানেল আইনজীবী আছে। তারা নিম্ন আদালতে ও উচ্চ আদালতে আসামিদের মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে জামিন করিয়ে থাকে। তাছাড়া রাষ্ট্র পক্ষ থেকে তেমন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আসামিরা সহজে জামিন পেয়ে যান বলে জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, জানুয়ারি ২০০১ থেকে ২০১১ সালের এ পর্যন্ত জাল টাকা তৈরি করে সরবরাহ ও বাজারজাত করণে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৫ হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে দৈনিক একটির বেশি মামলা হয়েছে। তবে অধিকাংশ আসামিরা জামিনে আছেন।
জানা গেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জাল টাকা সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রজ্ঞাপন জারি বা আইন সংশোধনের মাধ্যমে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা হত্যা, ধর্ষণ, আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য ও মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে। এর আগে জরুরি ক্ষমতা বিধিমালা অনুযায়ী সরকার কিছু মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করে। বর্তমানে জরুরি বিধিমালার কার্যকারিতা না থাকায় এসব মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর সুযোগ নেই। আপাতত এসব মামলা ট্রাইব্যুনালের পরিবর্তে সাধারণ আদালতে নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বছরের পর বছর সময় লাগছে। এ ব্যাপারে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শাহ আলম তালুকদার বলেন, জামিনের বিরোধিতা করা হয়। শুনানিতে আইনগত কোনো আন্তরিকতার অভাব নেই। অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রহমান বলেন, জামিনের বিরোধিতার ব্যাপারে আইনি ব্যাখ্যা আদালতকে জানানো হয়।
Thursday, December 1, 2011
মাছ ডিম পাড়ে, নাকি বাচ্চা দেয়? কিছু মাছ ডিম পাড়ে আবার কিছু মাছ বাচ্চা দেয়। আর বাচ্চাদের জন্মের পরে মা মাছ কী করে তা কি আমরা জানি! মা মাছ বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, খেতে শেখায়, খেলতে শেখায়। শুধু এতে শেষ নয়! যাতে অন্য কোনো প্রাণী বাচ্চাদের খেয়ে না ফেলে সেদিকেও খেয়াল রাখে মা মাছ। কিন্তু যদি বলি মাছও তাদের বাচ্চাদের দুধ খাওয়ায়! শুনতে খুবই আশ্চর্য লাগছে? যতই আশ্চর্য লাগুক, সত্যি, কোনো কোনো মাছ তাদের বাচ্চাকে দুধ খাওয়ায়। তাদের এই দুধ খাওয়ানোর বিষয়টি অবশ্য একটু আলাদা। স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীরা তাদের বাচ্চাদের জন্মের পরে দুধ খাওয়ায় কিন্তু এই মাছেরা তাদের বাচ্চাকে দুধ খাওয়ায় জন্মানোর আগেই। মায়ের পেটে থাকা অবস্থায়ই এই মাছের ছানারা দুধ খেয়ে বড় হতে থাকে। এরপর যখন উপযুক্ত হয়ে যায় ছানারা তখনই তারা জন্ম নেয়। এক কথায় বলা যায়, এই মাছের বাচ্চারা শক্তপোক্ত হয়েই জন্ম নেয়। এই মাছের নাম এলপাউট। মাছগুলো ইউরোপের বিভিন্ন সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় দেখা যায়। বিশেষ করে ইংলিশ চ্যানেলের কাছে বেশি দেখা যায়। এদের চেহারা দেখতে অনেকটাই ঈল মাছের মতো। এই মাছেরই ছানাগুলো মায়ের পেটের মধ্যেই বড় হয়ে তারপর জন্ম নেয়। এলপাউট মাছের মায়েরা একবারে ৩০ থেকে ৪০০টি পর্যন্ত পোনা ছাড়ে। আর জন্মের সময় একেকটি ছানা ৩ থেকে ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত বড় হয়। মায়ের পেটেই ডিম বড় হয়। তারপর পেটের মধ্যেই জন্ম নেয় খুদে খুদে ছানারা কিন্তু মায়ের পেট থেকে বের হয় না। পেটের ভেতরে থেকেই দুধ খেয়ে বড় হয়। যখন ছানাগুলোর মনে হয় তারা যথেষ্টই বড় হয়ে গেছে তখন বেরিয়ে আসে। এভাবে মায়ের পেটে ছয় মাস পর্যন্ত কাটিয়ে দেয় এলপাউটের পোনাগুলো। বড় হলে ছানারা পেট থেকে বের হয়ে আসে ঠিকই তবে সবসময় বের হয় না। তারা মায়ের পেট থেকে বের হওয়ার জন্য শীতকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে। পানি যখন অনেক শীতল হয়ে বরফের কাছাকাছি আসে তখনই কেবল পোনাগুলো বের হয়ে আসে। বড় এলপাউট মাছ সর্বোচ্চ ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। আর ওজন হয় ৫ কেজিরও বেশি। এই মাছ বাস করে সমুদ্রের কিনারায় পাথরের তলায়। পাথরের গায়ে লেগে থাকা বিভিন্ন শৈবাল এবং অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ এদের প্রধান খাবার। এলপাউট মাছেরা পানি ছাড়াও বাঁচতে পারে। পাথরের নিচে কোনো স্যাঁতসেঁতে স্থান বা সমুদ্রের কোনো আগাছার নিচে চুপটি করে বসে থাকতে পারে। মাঝে মাঝে পানিতে থাকতে ভালো না লাগলেই সঙ্গে সঙ্গে বের হয়ে আসে পানি ছেড়ে। তাই বলে কি তাদের কোনো সমস্যা হয়? হয় না। কেন বল তো? কারণ, তারাও স্থলচর প্রাণীদের মতোই মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়। শাকিলুর রাহমান
বিশ্বে যা কিছু প্রথম
১৯৯৪ সালে 'ফগক্যাম' নামক ওয়েব ক্যামটি সান ফ্রান্সিস্কো ইউনিভার্সিটিতে সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয়। তা এখনো সচল রয়েছে।
বিশ্বে যা কিছু প্রথম
কম্পিউটার গেম
বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার গেম প্রাথমিক ফরমেট ছিল ভিডিও গেম। সেই হিসেবে ক্যাথড রে টিউব অমিউজমেন্ট ডিভাইসই ছিল ১৯৪৭ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রথম পেটেন্ট কাইল্ড কম্পিউটার গেম। তবে কম্পিউটারে নয়, একটি এনালগ ডিভাইসের স্ক্রিনে বিভিন্ন টার্গেট পয়েন্টে মিসাইল নিক্ষেপ করা নিয়েই প্লট করা হয়েছিল গেমটির।
বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার গেম প্রাথমিক ফরমেট ছিল ভিডিও গেম। সেই হিসেবে ক্যাথড রে টিউব অমিউজমেন্ট ডিভাইসই ছিল ১৯৪৭ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রথম পেটেন্ট কাইল্ড কম্পিউটার গেম। তবে কম্পিউটারে নয়, একটি এনালগ ডিভাইসের স্ক্রিনে বিভিন্ন টার্গেট পয়েন্টে মিসাইল নিক্ষেপ করা নিয়েই প্লট করা হয়েছিল গেমটির।
ফেসবুকে বন্ধু করতে পারছেন না?
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুকে বেশি বেশি বন্ধু অনেক সময় বানানো যায় না, অর্থাৎ আপনি হয়তো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারছেন না। মঝেমধ্যেই আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ফেসবুক আটকে (ব্লক) দিচ্ছে দুই দিনের জন্য, পাঁচ দিনের জন্য। অপরিচিত কাউকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোটা ফেসবুকের অপব্যবহারের মধ্যে পড়ে। অপব্যবহার বন্ধ করার জন্যই ফেসবুক মাঝেমধ্যে এ কাজটি করে থাকে; এমনকি অনেক সময় পরিচিত কাউকেও ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে দেওয়া হয় না।
ফেসবুক কাজ করে প্রোগ্রামের মাধ্যমে। প্রোগ্রাম আবেগ বোঝে না, যুক্তি বোঝে। কারও কাছে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে চান? এখন ফেসবুক কীভাবে বুঝবে, আপনি তার পরিচিত কি না। এর জন্য ফেসবুক যে বিষয়গুলো যাচাই করে, তা হলো আপনার সঙ্গে তাঁর মিউচুয়াল ফ্রেন্ড কতজন (যাঁরা দুজনেরই বন্ধু)। আপনি আর তিনি একই স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন কি না। আপনি ও তিনি একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কি না। আপনার ও তাঁর নেটওয়ার্ক একই কি না। আপনি ও তিনি একই এলাকায় বাস করেন কি না বা আপনার ও তাঁর বাসা একই এলাকায় কি না—এসব নানা বিষয় যাচাই করে ফেসবুক বুঝতে পারে, আপনি তাঁর পরিচিত কি না। তা ছাড়া আপনি যাঁদের কাছে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন, তাঁরা সবাই কি আপনাকে গ্রহণ করেছেন, নাকি বেশির ভাগই আপনাকে গ্রহণ করেননি। এগুলো যাচাই করে ফেসবুক বুঝতে পারে, আপনি ফেসবুকে মিস ইউজ করছেন কি না। অপব্যবহার করলে প্রথমে দুই দিন, তারপর পাঁচ দিন আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ব্লক করে আপনাকে সতর্ক করে। আপনি এর পরও সতর্ক না হলে ১৫ দিন, তারপর এক মাস, এরপর দুই মাস। তার পরও আপনি সতর্ক না হলে পরে ফেসবুক অ্যাকাউন্টই ডিজেবল (বন্ধ) করে দেয়। অনেক সময় ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্লক করে রাখে।
তখন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আবার আপনার অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় করে দেবে। কিছুদিন পরপর ঠিকানা থেকে আপনার পেনডিং ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বের করে তাঁদের রিমুভ করে দিতে পারেন, যাঁরা আপনাকে অ্যাকসেপ্ট করেন না। .
ফেসবুক কাজ করে প্রোগ্রামের মাধ্যমে। প্রোগ্রাম আবেগ বোঝে না, যুক্তি বোঝে। কারও কাছে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে চান? এখন ফেসবুক কীভাবে বুঝবে, আপনি তার পরিচিত কি না। এর জন্য ফেসবুক যে বিষয়গুলো যাচাই করে, তা হলো আপনার সঙ্গে তাঁর মিউচুয়াল ফ্রেন্ড কতজন (যাঁরা দুজনেরই বন্ধু)। আপনি আর তিনি একই স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন কি না। আপনি ও তিনি একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কি না। আপনার ও তাঁর নেটওয়ার্ক একই কি না। আপনি ও তিনি একই এলাকায় বাস করেন কি না বা আপনার ও তাঁর বাসা একই এলাকায় কি না—এসব নানা বিষয় যাচাই করে ফেসবুক বুঝতে পারে, আপনি তাঁর পরিচিত কি না। তা ছাড়া আপনি যাঁদের কাছে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন, তাঁরা সবাই কি আপনাকে গ্রহণ করেছেন, নাকি বেশির ভাগই আপনাকে গ্রহণ করেননি। এগুলো যাচাই করে ফেসবুক বুঝতে পারে, আপনি ফেসবুকে মিস ইউজ করছেন কি না। অপব্যবহার করলে প্রথমে দুই দিন, তারপর পাঁচ দিন আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ব্লক করে আপনাকে সতর্ক করে। আপনি এর পরও সতর্ক না হলে ১৫ দিন, তারপর এক মাস, এরপর দুই মাস। তার পরও আপনি সতর্ক না হলে পরে ফেসবুক অ্যাকাউন্টই ডিজেবল (বন্ধ) করে দেয়। অনেক সময় ফেসবুক আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্লক করে রাখে।
তখন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আবার আপনার অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় করে দেবে। কিছুদিন পরপর ঠিকানা থেকে আপনার পেনডিং ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বের করে তাঁদের রিমুভ করে দিতে পারেন, যাঁরা আপনাকে অ্যাকসেপ্ট করেন না। .
Wednesday, November 30, 2011
সব প্রাণী একরকম বাঁচে না। কোনোটি বেশিদিন বাঁচে কোনোটি অল্প দিন। বাঁচা-মরার ব্যাপারটা বুড়িয়ে যাওয়ার ওপর নির্ভর করে। বুড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারটার দুটো ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য আছে। তা হলো_ বুড়িয়ে যাওয়ার গতি ও বুড়িয়ে যাওয়ার আকার।
কিছু প্রাণী যে অল্পদিন বাঁচে এবং অন্যরা দীর্ঘদিন বাঁচে এটাই হলো বুড়িয়ে যাওয়ার গতি। স্বল্পায়ু প্রাণীদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতি দ্রুত। অন্যদিকে দীর্ঘায়ু প্রাণীদের বেলায় সেই গতি মন্থর। গতি মানেই হলো জীবনের ঘড়ি কিভাবে চলছে আস্তে না দ্রুত। মানুষের ক্ষেত্রে জীবনের ঘড়ি ধীরগতিতে চলে। আর টুনটুনির মতো ক্ষুদে গায়ক পাখির জীবনের ঘড়ি চলে দ্রুতগতিতে।
আবার অন্য বৈশিষ্ট্যটি হলো বুড়িয়ে যাওয়ার আকার বা ধরন। সেটা বলতে বোঝাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হার বা মৃত্যুর ঝুঁকি কতখানি বদলে যায়। বুড়িয়ে যাওয়ার আকার পরিমাপ করার একটা উপায় হলো- বয়স বাড়ার গুণনীয়ককে বিবেচনায় নেওয়া। যেমন_ চড়ুই পাখির বুড়িয়ে যাওয়ার গুণনীয়ক হলো ২। তার অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক থাকা অবস্থায় পাখিটির মৃত্যু হার বা মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। অন্যদিকে আধুনিক মানুষের বুড়িয়ে যাওয়ার গুণনীয়ক ২ হাজারেরও বেশি।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জার্মানির ম্যাঙ্গ প্লাট ইনস্টিটিউটের গবেষক ড. এ্যানি বাউডিশ্চ বলেছেন যে, ১৫ বছর বয়সে সুইডেনের ১ লাখ বালিকার মধ্যে মাত্র ২ জন মারা যায়। কিন্তু ১১০ বছর বয়সী প্রতি দুজন মহিলার একজন মারা যাবে। প্রাপ্ত বয়স্ক জীবনের শুরুতে এবং শেষে মৃত্যু হারের এই বিশাল পার্থক্যের অর্থ হচ্ছে মানুষের বেলায় বুড়িয়ে যাওয়ার আকারটা দুরূহভাবে খাড়া বা ঢালু। অন্যদিকে চড়ুইয়ের মতো প্রাণীর বেলায় তা অগভীর বা চেটাল। আবার কোনো কোনো প্রাণীর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস পায়। এরা যত বেশি বুড়ো হবে মৃত্যুর ঝুঁকি তত কম হবে। মরু কচ্ছপ, এলিগেটর বা কুমীরের বেলায় এ কথা প্রযোজ্য।
ড. বাউডিশ্চের মতে, চড়ুই পাখির সঙ্গে তুলনা করলে মানুষের বুড়িয়ে যাওয়ার গতি মন্থর এবং চড়ুইটির দ্রুত। কাজেই জীবনের দৈর্ঘ্যের হিসাবে মানুষের অবস্থান অনেক উপরে। আবার মৃত্যু হারের ওপর বয়োবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিলে চড়ুই পাখিকেই উপরে স্থান দিতে হয়। তিনি মনে করেন কিভাবে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির বুড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি নির্ধারিত হয়েছে তা অনুধাবনের জন্য আমাদের বিভিন্ন প্রজাতিকে পরস্পরের সঙ্গে তুলনা করে দেখতে হবে। তাহলে দেখা যাবে, কোন প্রাণী দ্রুত বাঁচে ও অল্প বয়সে মারা যায়। কোন প্রাণী ধীরে বাঁচে ও বেশি বয়সে মারা যায়। এমনও প্রাণী আছে যারা বেশ দ্রুত বাঁচে কিন্তু মরে বুড়ো বয়সে। শেষেরটির দৃষ্টান্ত দিতে গিয়ে তিনি এক ধরনের পাহাড়ি মেষের কথা উল্লেখ করেছেন।
কিছু প্রাণী যে অল্পদিন বাঁচে এবং অন্যরা দীর্ঘদিন বাঁচে এটাই হলো বুড়িয়ে যাওয়ার গতি। স্বল্পায়ু প্রাণীদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতি দ্রুত। অন্যদিকে দীর্ঘায়ু প্রাণীদের বেলায় সেই গতি মন্থর। গতি মানেই হলো জীবনের ঘড়ি কিভাবে চলছে আস্তে না দ্রুত। মানুষের ক্ষেত্রে জীবনের ঘড়ি ধীরগতিতে চলে। আর টুনটুনির মতো ক্ষুদে গায়ক পাখির জীবনের ঘড়ি চলে দ্রুতগতিতে।
আবার অন্য বৈশিষ্ট্যটি হলো বুড়িয়ে যাওয়ার আকার বা ধরন। সেটা বলতে বোঝাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হার বা মৃত্যুর ঝুঁকি কতখানি বদলে যায়। বুড়িয়ে যাওয়ার আকার পরিমাপ করার একটা উপায় হলো- বয়স বাড়ার গুণনীয়ককে বিবেচনায় নেওয়া। যেমন_ চড়ুই পাখির বুড়িয়ে যাওয়ার গুণনীয়ক হলো ২। তার অর্থ প্রাপ্তবয়স্ক থাকা অবস্থায় পাখিটির মৃত্যু হার বা মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। অন্যদিকে আধুনিক মানুষের বুড়িয়ে যাওয়ার গুণনীয়ক ২ হাজারেরও বেশি।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জার্মানির ম্যাঙ্গ প্লাট ইনস্টিটিউটের গবেষক ড. এ্যানি বাউডিশ্চ বলেছেন যে, ১৫ বছর বয়সে সুইডেনের ১ লাখ বালিকার মধ্যে মাত্র ২ জন মারা যায়। কিন্তু ১১০ বছর বয়সী প্রতি দুজন মহিলার একজন মারা যাবে। প্রাপ্ত বয়স্ক জীবনের শুরুতে এবং শেষে মৃত্যু হারের এই বিশাল পার্থক্যের অর্থ হচ্ছে মানুষের বেলায় বুড়িয়ে যাওয়ার আকারটা দুরূহভাবে খাড়া বা ঢালু। অন্যদিকে চড়ুইয়ের মতো প্রাণীর বেলায় তা অগভীর বা চেটাল। আবার কোনো কোনো প্রাণীর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস পায়। এরা যত বেশি বুড়ো হবে মৃত্যুর ঝুঁকি তত কম হবে। মরু কচ্ছপ, এলিগেটর বা কুমীরের বেলায় এ কথা প্রযোজ্য।
ড. বাউডিশ্চের মতে, চড়ুই পাখির সঙ্গে তুলনা করলে মানুষের বুড়িয়ে যাওয়ার গতি মন্থর এবং চড়ুইটির দ্রুত। কাজেই জীবনের দৈর্ঘ্যের হিসাবে মানুষের অবস্থান অনেক উপরে। আবার মৃত্যু হারের ওপর বয়োবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিলে চড়ুই পাখিকেই উপরে স্থান দিতে হয়। তিনি মনে করেন কিভাবে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির বুড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি নির্ধারিত হয়েছে তা অনুধাবনের জন্য আমাদের বিভিন্ন প্রজাতিকে পরস্পরের সঙ্গে তুলনা করে দেখতে হবে। তাহলে দেখা যাবে, কোন প্রাণী দ্রুত বাঁচে ও অল্প বয়সে মারা যায়। কোন প্রাণী ধীরে বাঁচে ও বেশি বয়সে মারা যায়। এমনও প্রাণী আছে যারা বেশ দ্রুত বাঁচে কিন্তু মরে বুড়ো বয়সে। শেষেরটির দৃষ্টান্ত দিতে গিয়ে তিনি এক ধরনের পাহাড়ি মেষের কথা উল্লেখ করেছেন।
Friday, November 4, 2011
Thursday, November 3, 2011
Saturday, October 22, 2011
Thursday, August 11, 2011
ইউএফও : রহস্যে ঘেরা যে বস্তু
Sahkilur rahaman

লাখ লাখ বছর ধরে যে প্রশ্ন মানব মনে উঁকি দিয়ে গেছে বারবার তা হলো এই মহাবিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে আমরা কি একা?
উত্তর মেলা ভারি কঠিন। শুধু আমাদের গ্যালাক্সি মিল্কিওয়েতেই নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় ৪০০ বিলিয়ন। আর গ্যালাক্সি তো মহাবিশ্বে বিলিয়নের পর বিলিয়ন। বিলিয়ন বিলিয়ন গ্যালাক্সি-এর বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্রের যদি প্রতি বিলিয়ন এ একটিতেও গ্রহ থাকে তবুও গ্রহের সংখ্যা হিসেবের বাইরে। ১৯৬১ সালে ড্রেক তার সমীকরণে দেখিয়েছেন যে কমপক্ষে ১০০০০ গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব!
অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি নেই এটার উত্তর তো একদিনেই জানা যায় না। মানুষ হাজার হাজার বছর চেষ্টা করেছে কিন্তু এখনও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি। হয়তো আরও হাজার বছর লাগবে। অথবা এ রহস্য কোনো দিনও ভেদ হবে না। এটা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার তাই আর শেষ নেই। তবে এ রহস্য আরও ঘনীভূত করেছে যে বস্তু তার নাম ইউএফও (UFO)। পৃথিবীর আকাশে মাঝেমাঝেই দেখতে পাওয়া উড়ন্ত এ অদ্ভুত বস্তুর ব্যাখ্যাও মানুষের কাছে রয়ে গেছে অধরা।
কি এই ইউএফও?
ইউএফও (UFO) অর্থাত্ টহরফবহঃরভরবফ ঋষুরহম ঙনলবপঃ। অনেকে অবশ্য ফ্লাইং সসারও বলে থাকেন। ফ্লাইং সসার বলার পিছের কারণ হচ্ছে— অধিকাংশ ইউএফও, যা দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়, তা অনেকটা সসার বা পিরিচ আকৃতির। তবে ইউএফও যে শুধুই সসার আকৃতির, তা কিন্তু নয়। অনেক ইউএফও গোলক, অনেক সিগার আকৃতির, আবার কেউ কেউ বলে পিরামিডের মতো ইউএফও ও নাকি দেখেছেন তারা।
ইউএফও-এর অস্তিত্ব কী আসলেই আছে?
মানুষ কল্পনাপ্রবণ, একথা মিথ্যা নয়। তবে ইউএফও পুরোটাই মানুষের কল্পনাপ্রসূত জিনিস, এটা বলাটা বোধহয় অনেক কঠিন। ইউএফও দর্শনের কমপক্ষে হাজারখানেক বা তারও বেশি দাবি ব্যাপারটাকে অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত করে গেছে দিনের পর দিন। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন সময় দেখা যাওয়া এ বস্তুরা তাই অবলোকনকারীদের মনে বদ্ধমূল ধারণা জন্মিয়েই ফেলেছে যে, পৃথিবীর বাইরে অবশ্যই প্রাণের অস্তিত্ব আছে এবং তারা বেশ বুদ্ধিমান।
ইউএফও দর্শনের প্রথম ঘটনা
প্রাচীন মিসরের অনেক লিপিতেই এ উড়ন্ত চাকতির উল্লেখ আছে। তাদের মধ্যে একটি বেশ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে মিসরের অষ্টাদশ রাজবংশের তৃতীয় ফারাও টুথমোজের একটি লিপি। ফারাও শীতের তৃতীয় মাস এবং দিবসের ষষ্ঠ ঘণ্টায় আকাশে কিছু অদ্ভুত দর্শনের উড়ন্ত অগ্নিগোলক দেখতে পান বলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এটি খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ১ হাজার ৫০০ বছর আগের ইতিহাস।
এর পরও বহুবার ইউএফও-এর দর্শনের কথা শোনা যায়। তবে বর্তমান পৃথিবীর ইতিহাস অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউএফও দর্শনের তারিখ ১৫৬১ সালের ১৪ এপ্রিল। স্থান—নুরেমবার্গ, জার্মানি।
হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার ঘটনা
১৯৮৭ সাল। হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার একটি ছোট, শান্ত, ছিমছাম শহর। ডণঠঊ নামের একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করেন ড্যানি গরডন নামের এক যুবক। প্রতি রাতের মতো রেডিও বার্তা চেক করতে গিয়ে তিনি বেশকিছু অস্বাভাবিক রিপোর্ট পান। এ রিপোর্টকারীদের মধ্যে তিনজন ছিলেন আবার শেরিফ। তারা সবাই হোয়াইটভিলের আকাশে একগুচ্ছ অদ্ভুত আলো দেখতে পান বলে দাবি করেন। ড্যানি প্রথমে এটি হেসে উড়িয়ে দিলেও মুহূর্তের মধ্যেই হোয়াইটভিল থেকে আরও অনেক তাদের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে এটি তাদের চোখে পড়েছে।
ড্যানি এটিকে ভার্জিনিয়া এয়ার বেসের কোনো এক্সপেরিমেন্ট ভাবলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়ে দেন, সে রাতে এমন কিছু পরীক্ষা করা হয়নি। ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার মনেই একটা খটকা তৈরি করে। এর প্রায় দু’সপ্তাহ পর, ড্যানি এবং তার বন্ধু রজার হল দুজনেই খুব কাছে থেকে ইউএফও দেখতে পান বলে জানান।
‘আমরা তখন কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাত্ করেই গাড়ির বাঁদিকে আমার চোখ গেল এবং আমি ভূমির সরলরেখা বরাবর একটি খুব-ই অস্বাভাবিক বস্তু লক্ষ্য করলাম। সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িটা ডান পাশে রেখে আমরা লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে আসি। আমরা দেখতে পাই, যে আকাশযানটি আমাদের দিকে আসছে, সেটি আকৃতিতে বিশাল এবং তার মাথার দিকে একটি ডোম আছে এবং কোনো পাখা অনুপস্থিত। আকাশযানটির ডানদিক থেকে বিভিন্ন ধরনের উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল, সেটি যত দ্রুতই আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, ঠিক তত দ্রুতই আমাদের থেকে দূরে চলে গেল এবং একটা সময় মিলিয়ে গেল।’
এ ঘটনার তিন মাসের মধ্যেই প্রায় শতাধিক লোক ইউএফওগুলোকে বারবার দেখতে পান। কয়েকটি ছবিও তোলা হয়। হোয়াইটভিলের এ অদ্ভুত ঘটনার কোনো ব্যাখ্যাই পায়নি হোয়াইটভিলবাসী।
মেক্সিকোর ঘটনা
১৯৯১ সালের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কথা বোধহয় সবারই মনে আছে। পৃথিবী যেন সূর্যগ্রহণ অবলোকন উত্সবে মেতে উঠেছিল। মেক্সিকোও ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু কেউ তখনও ভাবেনি তাদের পুরো দেশকেই এ দিনটা বদলে দিবে ইউএফও-এর হিস্টিরিয়াতে।
সেই দুপুরে এঁরষষবত্সড় অত্ত্ধমরহ নামের একজন টেলিভিশন এক্সিকিউটিভ ছাদের উপরে বসে সূর্যগ্রহণের ভিডিও ধারণ করছিলেন। জিনিসটা ঠিক তখনই তার দৃষ্টিগোচর হয়। ঔধরসব গধঁংংধহ তখন কাজ করছিলেন অত্ত্ধমরহ-এর সঙ্গে। তারা পরে সূর্যগ্রহণের ভিডিও টেপটি মেক্সিকান টিভি চ্যানেলে সমপ্রচার করেন, সূর্যগ্রহণের ৮ দিন পর। এই টেপটির সঙ্গে তারা ইউএফও-এর ফুটেজটিও সমপ্রচার করে। মুহূর্তের মধ্যে তারা ৪০০০০ ফোন পান প্রায় একই সঙ্গে। এটা এতটাই দ্রুত ছিল যে, সব নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যায়। বহু প্রত্যক্ষদর্শী তাদের জানায়, তারা ঠিক একই বস্তু দেখেছেন মেক্সিকোর আকাশে। পরে তারা মেক্সিকানদের ধারণকৃত কমপক্ষে ১৫টি ভিডিও পান, যার সঙ্গে অত্ত্ধমরহ-এর ভিডিও’র কোনো পার্থক্য নেই। ২ মাস পর ঠিক একই রকমভাবে আরও অনেক ইউএফও দেখা যায় মেক্সিকোর আকাশে।
ফিনিক্স রহস্য
মার্চ ১৩, ১৯৯৭-এর রাত। অ্যারিজোনার অধিবাসী গরপযধবষ কত্ুুংঃড়হ-এর অপটু লেন্সে ধরা পড়ল ‘ভি’ আকৃতির এক অদ্ভুত আলোক গুচ্ছ। শুধু কত্ুুংঃড়হ-ই নন, অ্যারিজোনার কমপক্ষে হাজারখানেক মানুষ সে রাতে একই আলো দেখেছেন এবং এগুলো যে ইউএফও এ সস্পর্কে তারা প্রায় নিঃসন্দেহ পোষণ করেছেন।
রসওয়েলের অমীমাংসিত রহস্য
এটি ইউএফও-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত খুব বেশি আলোচিত একটা ঘটনা। ঘটনার সূত্রপাত ১৯৪৭ সালে একটি বজ্রপাতসহ ঝড়ের মাধ্যমে। ‘ম্যাক’ নামের এক ভদ্রলোক তখন তার ঘরে বসেই ঝড় দেখছিলেন। হঠাত্ তার বাড়ির সংলগ্ন বড় ক্ষেতে তিনি বেশ বড়সড় এবং অস্বাভাবিক এক বজ্রপাতের শব্দ পান।
পরেরদিন তিনি যখন তার ছেলেকে নিয়ে ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গেলেন, তখন অবাক হয়ে দেখলেন বজ্রপাতের কোনো চিহ্নই নেই। বরং মাঠজুড়ে পড়ে রয়েছে কোনো কিছুর ধ্বংসাবশেষ। প্রায় তিন মাইলেরও বেশি লম্বা এবং দুই-তিনশ’ ফুট প্রস্থজুড়ে ধ্বংসাবশেষগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ম্যাকে ভাষ্য অনুসারে, উদ্ধারকৃত টুকরোগুলোকে এককথায় ধাতু বলা যায় না। টুকরোগুলো ছিল বেশ মজবুত এবং প্লাস্টিকের মতো হালকা অথচ প্লাস্টিক নয়। দুই-তিন ফুট লম্বা টুকরোগুলোও খবরের কাগজের মতোই হালকা ছিল বলেন ম্যাক। তবে এই টুকরোগুলোকে তিনি কাটতে পারেননি এবং আগুনেও পোড়াতে পারেননি বলে জানান তিনি।
পরেরদিন রসওয়েল আর্মি এয়ার বেসে ঘটনাটি জানানো হয়। সেদিন বিকেলেই আর্মি ইন্টেলিজেন্সের কিছু কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মেজর জেসি মারসেল, যার উপর এ ঘটনাটি তদন্তের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তিনিও টুকরোগুলো দেখে হতভম্ব হয়ে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বলে গেছেন, এটি তার জীবনে দেখা সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক ঘটনা। তিনিও টুকরোগুলোকে আগুনে পোড়াতে পারেননি। তিনি দৃঢ়ভাবেই দাবি করেন, এটি কোনোভাবেই এয়ার বেলুন অথবা পৃথিবীতে তৈরি কোনো আকাশযানের ধ্বংসাবশেষ নয়। তার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে যে টুকরোটি সেটি একটি ছোট ‘এলবিম’-এর টুকরো যেটি এর উপরে কিছু অদ্ভুত চিহ্ন এবং অক্ষর খোদাই করা ছিল। এটা থেকে তার মনে বিশ্বাস আরও প্রবল হয় যে এটি পৃথিবীর বাইরের কোনো একটা স্থানে তৈরি কোনো আকাশযান।
খবরটা নিউজ পেপারে চলে আসে মুহূর্তেই। ঠিক ওইদিন সক্করো, মেক্সিকো থেকেও ইউএফও দর্শনের কিছু রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই ঘটনাগুলো রসওয়েলে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
তবে রসওয়েল এয়ার বেস কোনো এক অজ্ঞাত কারণে খবরটা ধামাচাপা দেয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করে। গ্লেন ডেনিস নামের ২২ বছরের এক ছেলেও ম্যাকের মাঠটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। পরে তাকেও মিলিটারি ক্যাস্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে বলা হয়, এটি নিয়ে আর কোনো রকম উচ্চ্যবাচ্চ্য না করার জন্য। এছাড়া ঠিক ওই সময়ে একজন নার্স দাবি করেন, তাকে এয়ার বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তিনটি বডি অটোপসি করার জন্য। তিনি বলেন, তিনটি প্রাণীর কোনোটিই পৃথিবীর নয়, এ ব্যাপারে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। তিনি প্রাণীগুলোর বর্ণনা দেন এভাবে—
‘তারা আমাকে ডেকেছিল ঢ়ধত্ঃরধষ ধঁঃড়ঢ়ংু-এর জন্য। তাদের ওখানে একটা বড় ক্রাশব্যাগ ছিল যেটির মধ্যে দোমড়ানো-মোচড়ানো খুব ছোট দুটি বডি ছিল, যাদের মাথা ছিল দেহের তুলনায় অনেক বড়। তাদের কোনো কান ছিল না বরং তাদের কানের দুটি ক্যানাল ছিল। তাদের বিবর ছিল দুটি, এবং তাতে কোনো দাঁত ছিল না।’ পরে গ্লেন অবশ্য নার্সটিকে অনেক খুঁজতে চেষ্টা করেছিল, যদিও তাকে আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এটি প্রমাণিত হলে এয়ার বেস মিলিটারি তাদের বিবৃতি দিয়ে বলেন, তাদের প্রাপ্ত প্রাণীগুলো আসলে একটি এয়ার বেলুনের ডামি ছিল। যদিও তাতে সন্দেহ দূরীভূত না হয়ে উল্টো সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।
টেক্সাসে ইউএফও
ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ, ১৯৮০ সাল। ডিনার শেষে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন বিটি ক্যাশ, ভিকি ল্যান্ড্রাম ও তাদের ৭ বছরের নাতি কলবি। টেক্সাসে-ডেয়টনের কাছাকাছি স্টেট রোড থেকে তারা যখন যাচ্ছিলেন তখন রাত প্রায় ৯টা। ঠিক এসময় আকাশে খুব উজ্জ্বল এক আলো দেখতে পান তিনজনই। তাদের গাড়ি অগ্রসর হচ্ছিল এবং এ অবস্থাতেই গাছের ফাঁক থেকে তারা বস্তুটিকে দেখতে পাচ্ছিলেন। বিটি ক্যাশ তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবেই—‘আমরা তখনও জানতাম না এটা কি, শুধু এটাই বুঝেছিলাম যে এটি প্লেন নয়। আকাশ তখন অত্যধিক উজ্জ্বল হয়ে পড়েছিল। একটা সময় ভিকির চিত্কারে আমি গাড়ি থামাই এবং বস্তুটিকে দেখার জন্য দরজা খুলে বের হয়ে আসি। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রচণ্ড তাপ অনুভব করি এবং যানটিকে ভালোভাবে দেখতে পাই। এটি ছিল অনেকটা ডায়মন্ডের আকৃতির, যেটার নিচ থেকে প্রচণ্ডভাবে তাপ নির্গত হচ্ছিল। মুহূর্তের মাঝে আমি পালাতে চাইলাম ওই জায়গা ছেড়ে। গাড়ির হ্যান্ডেলে যখন হাত দিলাম তখন সেটি পুরোপুরি তপ্ত একটা ধাতু। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, আমরা এখান থেকে জীবিত ফেরত যেতে পারব তো?
ভিকি বলেন, এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বহু হেলিকপ্টার জায়গাটিকে কভার করে ফেলে। পরেরদিন তিনজনই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তাররা জানান, তারা রেডিয়েশন পয়জনিং-এ আক্রান্ত হয়েছেন। পরে ক্যাশ এবং ভিকি সরকারের কাছ থেকে সদুত্তর পাওয়ার আশায় অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি। এখানেও টেক্সাস সরকার ধামাচাপা দিয়ে ফেলে ব্যাপারটিকে। পুড়ে যাওয়া রাস্তার ওই অংশটুকু অতি দ্রুত খুঁড়ে নতুন করে রাস্তা করে দেয়া হয়, যাতে ওটা লোকচক্ষুর দৃষ্টিগোচর না হয়।
ভিকি এবং ক্যাশ আজীবন প্রশ্ন করে গেছেন এই রহস্যজনক ঘটনার, কিন্তু তাদের এ রহস্যের কোনো সমাধান দিতে সরকার পক্ষের কেউই এগিয়ে আসেনি।
পানিতেও ইউএফও
ইউএফও যে শুধু পৃথিবীর আকাশে কিংবা মাটিতে দেখা গেছে, তা কিন্তু নয়। বরং পানিতেও ইউএফও দর্শনের নজির মিলেছে। বিমিনির উত্তরে আইজাক লাইট আর মিয়ামির মধ্যখানে গালফ স্ট্রিমের পানির তলায় বারবার দেখা গেছে সিগার আকৃতির ইউএফও। ডেলমনিকো নামের এক ক্যাপ্টেন পানির নিচে এই সাদাটে ধূসর বস্তুটি দেখতে পান। তার দাবি, এটি কোনোভাবে পানিতে আলোড়ন তৈরি না করে চলাফেরা করছিল।
পুয়ের্টোরিকোর কাছের সাগরেও ইউএফও’র দেখা মেলে একবার। মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো একটা মহড়া চলাকালীন তাতে অংশগ্রহণকারী সব জাহাজ এবং সাবমেরিন এ পানির নিচে ইউএফওটা দেখতে পান। সাবমেরিন একে ধাওয়া করলেও বস্তুটি নিমিষেই সাতাশ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত নেমে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছিল। এর গতিও ছিল অস্বাভাবিক এবং আলোড়নুবিহীন।
উত্তর মেলা ভারি কঠিন। শুধু আমাদের গ্যালাক্সি মিল্কিওয়েতেই নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় ৪০০ বিলিয়ন। আর গ্যালাক্সি তো মহাবিশ্বে বিলিয়নের পর বিলিয়ন। বিলিয়ন বিলিয়ন গ্যালাক্সি-এর বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্রের যদি প্রতি বিলিয়ন এ একটিতেও গ্রহ থাকে তবুও গ্রহের সংখ্যা হিসেবের বাইরে। ১৯৬১ সালে ড্রেক তার সমীকরণে দেখিয়েছেন যে কমপক্ষে ১০০০০ গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব!
অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি নেই এটার উত্তর তো একদিনেই জানা যায় না। মানুষ হাজার হাজার বছর চেষ্টা করেছে কিন্তু এখনও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি। হয়তো আরও হাজার বছর লাগবে। অথবা এ রহস্য কোনো দিনও ভেদ হবে না। এটা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার তাই আর শেষ নেই। তবে এ রহস্য আরও ঘনীভূত করেছে যে বস্তু তার নাম ইউএফও (UFO)। পৃথিবীর আকাশে মাঝেমাঝেই দেখতে পাওয়া উড়ন্ত এ অদ্ভুত বস্তুর ব্যাখ্যাও মানুষের কাছে রয়ে গেছে অধরা।
কি এই ইউএফও?
ইউএফও (UFO) অর্থাত্ টহরফবহঃরভরবফ ঋষুরহম ঙনলবপঃ। অনেকে অবশ্য ফ্লাইং সসারও বলে থাকেন। ফ্লাইং সসার বলার পিছের কারণ হচ্ছে— অধিকাংশ ইউএফও, যা দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়, তা অনেকটা সসার বা পিরিচ আকৃতির। তবে ইউএফও যে শুধুই সসার আকৃতির, তা কিন্তু নয়। অনেক ইউএফও গোলক, অনেক সিগার আকৃতির, আবার কেউ কেউ বলে পিরামিডের মতো ইউএফও ও নাকি দেখেছেন তারা।
ইউএফও-এর অস্তিত্ব কী আসলেই আছে?
মানুষ কল্পনাপ্রবণ, একথা মিথ্যা নয়। তবে ইউএফও পুরোটাই মানুষের কল্পনাপ্রসূত জিনিস, এটা বলাটা বোধহয় অনেক কঠিন। ইউএফও দর্শনের কমপক্ষে হাজারখানেক বা তারও বেশি দাবি ব্যাপারটাকে অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত করে গেছে দিনের পর দিন। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন সময় দেখা যাওয়া এ বস্তুরা তাই অবলোকনকারীদের মনে বদ্ধমূল ধারণা জন্মিয়েই ফেলেছে যে, পৃথিবীর বাইরে অবশ্যই প্রাণের অস্তিত্ব আছে এবং তারা বেশ বুদ্ধিমান।
ইউএফও দর্শনের প্রথম ঘটনা
প্রাচীন মিসরের অনেক লিপিতেই এ উড়ন্ত চাকতির উল্লেখ আছে। তাদের মধ্যে একটি বেশ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে মিসরের অষ্টাদশ রাজবংশের তৃতীয় ফারাও টুথমোজের একটি লিপি। ফারাও শীতের তৃতীয় মাস এবং দিবসের ষষ্ঠ ঘণ্টায় আকাশে কিছু অদ্ভুত দর্শনের উড়ন্ত অগ্নিগোলক দেখতে পান বলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এটি খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ১ হাজার ৫০০ বছর আগের ইতিহাস।
এর পরও বহুবার ইউএফও-এর দর্শনের কথা শোনা যায়। তবে বর্তমান পৃথিবীর ইতিহাস অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউএফও দর্শনের তারিখ ১৫৬১ সালের ১৪ এপ্রিল। স্থান—নুরেমবার্গ, জার্মানি।
হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার ঘটনা
১৯৮৭ সাল। হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার একটি ছোট, শান্ত, ছিমছাম শহর। ডণঠঊ নামের একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করেন ড্যানি গরডন নামের এক যুবক। প্রতি রাতের মতো রেডিও বার্তা চেক করতে গিয়ে তিনি বেশকিছু অস্বাভাবিক রিপোর্ট পান। এ রিপোর্টকারীদের মধ্যে তিনজন ছিলেন আবার শেরিফ। তারা সবাই হোয়াইটভিলের আকাশে একগুচ্ছ অদ্ভুত আলো দেখতে পান বলে দাবি করেন। ড্যানি প্রথমে এটি হেসে উড়িয়ে দিলেও মুহূর্তের মধ্যেই হোয়াইটভিল থেকে আরও অনেক তাদের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে এটি তাদের চোখে পড়েছে।
ড্যানি এটিকে ভার্জিনিয়া এয়ার বেসের কোনো এক্সপেরিমেন্ট ভাবলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়ে দেন, সে রাতে এমন কিছু পরীক্ষা করা হয়নি। ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার মনেই একটা খটকা তৈরি করে। এর প্রায় দু’সপ্তাহ পর, ড্যানি এবং তার বন্ধু রজার হল দুজনেই খুব কাছে থেকে ইউএফও দেখতে পান বলে জানান।
‘আমরা তখন কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাত্ করেই গাড়ির বাঁদিকে আমার চোখ গেল এবং আমি ভূমির সরলরেখা বরাবর একটি খুব-ই অস্বাভাবিক বস্তু লক্ষ্য করলাম। সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িটা ডান পাশে রেখে আমরা লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে আসি। আমরা দেখতে পাই, যে আকাশযানটি আমাদের দিকে আসছে, সেটি আকৃতিতে বিশাল এবং তার মাথার দিকে একটি ডোম আছে এবং কোনো পাখা অনুপস্থিত। আকাশযানটির ডানদিক থেকে বিভিন্ন ধরনের উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল, সেটি যত দ্রুতই আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, ঠিক তত দ্রুতই আমাদের থেকে দূরে চলে গেল এবং একটা সময় মিলিয়ে গেল।’
এ ঘটনার তিন মাসের মধ্যেই প্রায় শতাধিক লোক ইউএফওগুলোকে বারবার দেখতে পান। কয়েকটি ছবিও তোলা হয়। হোয়াইটভিলের এ অদ্ভুত ঘটনার কোনো ব্যাখ্যাই পায়নি হোয়াইটভিলবাসী।
মেক্সিকোর ঘটনা
১৯৯১ সালের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কথা বোধহয় সবারই মনে আছে। পৃথিবী যেন সূর্যগ্রহণ অবলোকন উত্সবে মেতে উঠেছিল। মেক্সিকোও ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু কেউ তখনও ভাবেনি তাদের পুরো দেশকেই এ দিনটা বদলে দিবে ইউএফও-এর হিস্টিরিয়াতে।
সেই দুপুরে এঁরষষবত্সড় অত্ত্ধমরহ নামের একজন টেলিভিশন এক্সিকিউটিভ ছাদের উপরে বসে সূর্যগ্রহণের ভিডিও ধারণ করছিলেন। জিনিসটা ঠিক তখনই তার দৃষ্টিগোচর হয়। ঔধরসব গধঁংংধহ তখন কাজ করছিলেন অত্ত্ধমরহ-এর সঙ্গে। তারা পরে সূর্যগ্রহণের ভিডিও টেপটি মেক্সিকান টিভি চ্যানেলে সমপ্রচার করেন, সূর্যগ্রহণের ৮ দিন পর। এই টেপটির সঙ্গে তারা ইউএফও-এর ফুটেজটিও সমপ্রচার করে। মুহূর্তের মধ্যে তারা ৪০০০০ ফোন পান প্রায় একই সঙ্গে। এটা এতটাই দ্রুত ছিল যে, সব নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যায়। বহু প্রত্যক্ষদর্শী তাদের জানায়, তারা ঠিক একই বস্তু দেখেছেন মেক্সিকোর আকাশে। পরে তারা মেক্সিকানদের ধারণকৃত কমপক্ষে ১৫টি ভিডিও পান, যার সঙ্গে অত্ত্ধমরহ-এর ভিডিও’র কোনো পার্থক্য নেই। ২ মাস পর ঠিক একই রকমভাবে আরও অনেক ইউএফও দেখা যায় মেক্সিকোর আকাশে।
ফিনিক্স রহস্য
মার্চ ১৩, ১৯৯৭-এর রাত। অ্যারিজোনার অধিবাসী গরপযধবষ কত্ুুংঃড়হ-এর অপটু লেন্সে ধরা পড়ল ‘ভি’ আকৃতির এক অদ্ভুত আলোক গুচ্ছ। শুধু কত্ুুংঃড়হ-ই নন, অ্যারিজোনার কমপক্ষে হাজারখানেক মানুষ সে রাতে একই আলো দেখেছেন এবং এগুলো যে ইউএফও এ সস্পর্কে তারা প্রায় নিঃসন্দেহ পোষণ করেছেন।
রসওয়েলের অমীমাংসিত রহস্য
এটি ইউএফও-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত খুব বেশি আলোচিত একটা ঘটনা। ঘটনার সূত্রপাত ১৯৪৭ সালে একটি বজ্রপাতসহ ঝড়ের মাধ্যমে। ‘ম্যাক’ নামের এক ভদ্রলোক তখন তার ঘরে বসেই ঝড় দেখছিলেন। হঠাত্ তার বাড়ির সংলগ্ন বড় ক্ষেতে তিনি বেশ বড়সড় এবং অস্বাভাবিক এক বজ্রপাতের শব্দ পান।
পরেরদিন তিনি যখন তার ছেলেকে নিয়ে ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গেলেন, তখন অবাক হয়ে দেখলেন বজ্রপাতের কোনো চিহ্নই নেই। বরং মাঠজুড়ে পড়ে রয়েছে কোনো কিছুর ধ্বংসাবশেষ। প্রায় তিন মাইলেরও বেশি লম্বা এবং দুই-তিনশ’ ফুট প্রস্থজুড়ে ধ্বংসাবশেষগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ম্যাকে ভাষ্য অনুসারে, উদ্ধারকৃত টুকরোগুলোকে এককথায় ধাতু বলা যায় না। টুকরোগুলো ছিল বেশ মজবুত এবং প্লাস্টিকের মতো হালকা অথচ প্লাস্টিক নয়। দুই-তিন ফুট লম্বা টুকরোগুলোও খবরের কাগজের মতোই হালকা ছিল বলেন ম্যাক। তবে এই টুকরোগুলোকে তিনি কাটতে পারেননি এবং আগুনেও পোড়াতে পারেননি বলে জানান তিনি।
পরেরদিন রসওয়েল আর্মি এয়ার বেসে ঘটনাটি জানানো হয়। সেদিন বিকেলেই আর্মি ইন্টেলিজেন্সের কিছু কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মেজর জেসি মারসেল, যার উপর এ ঘটনাটি তদন্তের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তিনিও টুকরোগুলো দেখে হতভম্ব হয়ে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বলে গেছেন, এটি তার জীবনে দেখা সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক ঘটনা। তিনিও টুকরোগুলোকে আগুনে পোড়াতে পারেননি। তিনি দৃঢ়ভাবেই দাবি করেন, এটি কোনোভাবেই এয়ার বেলুন অথবা পৃথিবীতে তৈরি কোনো আকাশযানের ধ্বংসাবশেষ নয়। তার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে যে টুকরোটি সেটি একটি ছোট ‘এলবিম’-এর টুকরো যেটি এর উপরে কিছু অদ্ভুত চিহ্ন এবং অক্ষর খোদাই করা ছিল। এটা থেকে তার মনে বিশ্বাস আরও প্রবল হয় যে এটি পৃথিবীর বাইরের কোনো একটা স্থানে তৈরি কোনো আকাশযান।
খবরটা নিউজ পেপারে চলে আসে মুহূর্তেই। ঠিক ওইদিন সক্করো, মেক্সিকো থেকেও ইউএফও দর্শনের কিছু রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই ঘটনাগুলো রসওয়েলে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
তবে রসওয়েল এয়ার বেস কোনো এক অজ্ঞাত কারণে খবরটা ধামাচাপা দেয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করে। গ্লেন ডেনিস নামের ২২ বছরের এক ছেলেও ম্যাকের মাঠটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। পরে তাকেও মিলিটারি ক্যাস্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে বলা হয়, এটি নিয়ে আর কোনো রকম উচ্চ্যবাচ্চ্য না করার জন্য। এছাড়া ঠিক ওই সময়ে একজন নার্স দাবি করেন, তাকে এয়ার বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তিনটি বডি অটোপসি করার জন্য। তিনি বলেন, তিনটি প্রাণীর কোনোটিই পৃথিবীর নয়, এ ব্যাপারে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। তিনি প্রাণীগুলোর বর্ণনা দেন এভাবে—
‘তারা আমাকে ডেকেছিল ঢ়ধত্ঃরধষ ধঁঃড়ঢ়ংু-এর জন্য। তাদের ওখানে একটা বড় ক্রাশব্যাগ ছিল যেটির মধ্যে দোমড়ানো-মোচড়ানো খুব ছোট দুটি বডি ছিল, যাদের মাথা ছিল দেহের তুলনায় অনেক বড়। তাদের কোনো কান ছিল না বরং তাদের কানের দুটি ক্যানাল ছিল। তাদের বিবর ছিল দুটি, এবং তাতে কোনো দাঁত ছিল না।’ পরে গ্লেন অবশ্য নার্সটিকে অনেক খুঁজতে চেষ্টা করেছিল, যদিও তাকে আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এটি প্রমাণিত হলে এয়ার বেস মিলিটারি তাদের বিবৃতি দিয়ে বলেন, তাদের প্রাপ্ত প্রাণীগুলো আসলে একটি এয়ার বেলুনের ডামি ছিল। যদিও তাতে সন্দেহ দূরীভূত না হয়ে উল্টো সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।
টেক্সাসে ইউএফও
ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ, ১৯৮০ সাল। ডিনার শেষে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন বিটি ক্যাশ, ভিকি ল্যান্ড্রাম ও তাদের ৭ বছরের নাতি কলবি। টেক্সাসে-ডেয়টনের কাছাকাছি স্টেট রোড থেকে তারা যখন যাচ্ছিলেন তখন রাত প্রায় ৯টা। ঠিক এসময় আকাশে খুব উজ্জ্বল এক আলো দেখতে পান তিনজনই। তাদের গাড়ি অগ্রসর হচ্ছিল এবং এ অবস্থাতেই গাছের ফাঁক থেকে তারা বস্তুটিকে দেখতে পাচ্ছিলেন। বিটি ক্যাশ তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবেই—‘আমরা তখনও জানতাম না এটা কি, শুধু এটাই বুঝেছিলাম যে এটি প্লেন নয়। আকাশ তখন অত্যধিক উজ্জ্বল হয়ে পড়েছিল। একটা সময় ভিকির চিত্কারে আমি গাড়ি থামাই এবং বস্তুটিকে দেখার জন্য দরজা খুলে বের হয়ে আসি। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রচণ্ড তাপ অনুভব করি এবং যানটিকে ভালোভাবে দেখতে পাই। এটি ছিল অনেকটা ডায়মন্ডের আকৃতির, যেটার নিচ থেকে প্রচণ্ডভাবে তাপ নির্গত হচ্ছিল। মুহূর্তের মাঝে আমি পালাতে চাইলাম ওই জায়গা ছেড়ে। গাড়ির হ্যান্ডেলে যখন হাত দিলাম তখন সেটি পুরোপুরি তপ্ত একটা ধাতু। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, আমরা এখান থেকে জীবিত ফেরত যেতে পারব তো?
ভিকি বলেন, এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বহু হেলিকপ্টার জায়গাটিকে কভার করে ফেলে। পরেরদিন তিনজনই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তাররা জানান, তারা রেডিয়েশন পয়জনিং-এ আক্রান্ত হয়েছেন। পরে ক্যাশ এবং ভিকি সরকারের কাছ থেকে সদুত্তর পাওয়ার আশায় অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি। এখানেও টেক্সাস সরকার ধামাচাপা দিয়ে ফেলে ব্যাপারটিকে। পুড়ে যাওয়া রাস্তার ওই অংশটুকু অতি দ্রুত খুঁড়ে নতুন করে রাস্তা করে দেয়া হয়, যাতে ওটা লোকচক্ষুর দৃষ্টিগোচর না হয়।
ভিকি এবং ক্যাশ আজীবন প্রশ্ন করে গেছেন এই রহস্যজনক ঘটনার, কিন্তু তাদের এ রহস্যের কোনো সমাধান দিতে সরকার পক্ষের কেউই এগিয়ে আসেনি।
পানিতেও ইউএফও
ইউএফও যে শুধু পৃথিবীর আকাশে কিংবা মাটিতে দেখা গেছে, তা কিন্তু নয়। বরং পানিতেও ইউএফও দর্শনের নজির মিলেছে। বিমিনির উত্তরে আইজাক লাইট আর মিয়ামির মধ্যখানে গালফ স্ট্রিমের পানির তলায় বারবার দেখা গেছে সিগার আকৃতির ইউএফও। ডেলমনিকো নামের এক ক্যাপ্টেন পানির নিচে এই সাদাটে ধূসর বস্তুটি দেখতে পান। তার দাবি, এটি কোনোভাবে পানিতে আলোড়ন তৈরি না করে চলাফেরা করছিল।
পুয়ের্টোরিকোর কাছের সাগরেও ইউএফও’র দেখা মেলে একবার। মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো একটা মহড়া চলাকালীন তাতে অংশগ্রহণকারী সব জাহাজ এবং সাবমেরিন এ পানির নিচে ইউএফওটা দেখতে পান। সাবমেরিন একে ধাওয়া করলেও বস্তুটি নিমিষেই সাতাশ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত নেমে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছিল। এর গতিও ছিল অস্বাভাবিক এবং আলোড়নুবিহীন।
Subscribe to:
Posts (Atom)






















