ঘুম একটি অতি জরুরি কাজ। কাজ বলছি এ জন্য, ঘুমানোর জন্যও আমাদের কিছু না কিছু করতে হয়। জন্মের পর প্রথম দিকে যেখানে দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা ঘুম হতো। তা ২০ বছর বয়সে এসে ৬ ঘণ্টা নেমে আসে। বয়স বাড়তে থাকলে সময়ও কমতে থাকে। অধিকাংশ মানুষই নিদ্রাহীনতায় ভোগে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০-এর বেশি বয়সের পুরুষরা তাদের প্রতি ১০ বছর অতিক্রমের জন্য ২৮ মিনিট করে কম ঘুমায়। ৬০ বছর বয়সের আগেই তাদের গভীর ঘুম উধাও হয়। ৫০ বছর বয়সের একজন মানুষের রক্তে তার ৩০ বছর বয়সের ১০ গুণ কটিসোল উপস্থিত থাকে। যা তার ঘুম হরণ করে। আবার প্রতি ২৫ জনে এক জনের ঘুমের মধ্যে হঠাৎ খুব অল্প সময়ের জন্য শ্বাস আটকে গিয়ে সে জেগে উঠে। এর সঙ্গে যোগ হয় প্রস্টেট গ্রন্থির কারণে নানাবিধ সমস্যা ঘন ঘন প্রস্রাব পাওয়া, তলপেট মূত্রাশয় ভাব থাকার কারণে টান টান হয়ে থাকা। এ বয়সে গভীর ঘুমের জন্য যা করা উচিত_
প্রিচুর ভিটামিন বি-৫ সমৃদ্ধ খাদ্য খান। রাতে শর্করা জাতীয় বেশি পরিমাণে খাবার চেষ্টা করুন। এতে কটিসোল নিঃসরণ কমবে, সোরাটোনিন নিঃসরণ বাড়বে, ঘুম আসবে।
ঘিুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসলে তার জন্য চিকিৎসা করাতে হবে।
যিাদের হৃদরোগের জন্য ওষুধ খেতে হচ্ছে তাদের চিকিৎসক তার অনিদ্রা বা গভীর ঘুম না হওয়ার কথাটি জানাবে অথবা অন্যান্য ওষুধ খাবার বেলায়ও ঘুমের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
রিাতে ৩-৪ বার প্রস্রাব করতে যেতে হলে ডাক্তারকে জানান। প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে হয়ে গেলে এরূপ হতে পারে।
ঘুমানোর সময় ও পরিবেশ যতটা সম্ভব অপরিবর্তনীয় রাখুন।
ডা. শাহ্জাদা সেলিম
অ্যান্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগ, বারডেম ঢাকা। ফোন : ০১৯১৯০০০০২২
No comments:
Post a Comment